Search This Blog

Thursday, September 13, 2018

September 13, 2018

গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন (ইউটিউব)

গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন (ইউটিউব)



ইউটিউব থেকে আয় – বর্তমান সময়ে ঘরে ঘরে পরিচিত একটা ব্যাপার। বিশেষ করে তরুনদের মধ্যে এই নিয়ে ব্যাপক ক্রেজ। যেভাবেই হোক একটা ভালমানের ক্যামেরা কিংবা ক্যামেরা ফোন যোগাড় করে কিছু বন্ধু মিলেই তারা শুরু করে দিচ্ছে ইউটিউবে কনটেন্ট দেওয়ার কাজ। আবার এই আয়ের পথে আরেকদল পথযাত্রীও আছেন যাদের মূলত অনলাইন মার্কেটার বলা চলে। তারা এই মাধ্যমকে প্রফেশনালি ক্যারিয়ার হিসেবেই নিয়েছেন বা নিচ্ছেন এবং এই মাধ্যমে কাজের ব্যাপারে তারা যথেষ্ট সিরিয়াস। এর মধ্যে অনেকেই একদম নতুন পর্যায় থেকে কাজ শুরু করে অল্পদিনের মধ্যেই বড় সফলতার মুখ দেখছেন।
উদাহরনস্বরূপ, নিচে একটি চ্যানেলের পরিচিতি দেওয়া হল। ZafiDigital থেকে Video Marketing Advanced Course করেন এবং এরপর প্রায় ৫ মাসের চেষ্টায় এই চ্যানেলটি দাড় করাতে সক্ষম হন। প্রথম দিকে কাজ করতে গিয়ে তার বেশ কয়েকটি চ্যানেল সাসপেন্ড হলেও তিনি থেমে না গিয়ে বারবার নতুন করে শুরু করেন এবং এই চ্যানেলটিকে সফল করেন। বর্তমানে তার চ্যানেলের টোটাল ভিউঃ 14,803,862 ! খুব দ্রুত তার সফলতার গল্প তুলে ধরব সবার সামনে।
সবমিলিয়ে অনলাইনে আয়ের উৎস হিসেবে ইউটিউব এখন অন্যতম আগ্রহের বিষয়। তাই আজকের এই লেখায় মূলত তুলে ধরা হয়েছে, একজন সফল ইউটিউব মার্কেটার হতে হলে আপনাকে কি কি বিষয় খেয়াল রেখে অগ্রসর হতে হবে। আপনি এই লাইনে সম্পূর্ন নতুন কিংবা অনেকদিনের অভিজ্ঞ, যেরকমই হয়ে থাকেন, আশা করছি আজকের এই লেখা থেকে আপনার ইউটিউব ক্যারিয়ারকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিষ্কার কিছু গাইডলাইন পাবেন। তাহলে শুরু করা যাক।
০১. ইউটিউব একাউন্ট খোলার আগেই ইউটিউবকে জেনে নিন
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট জগতের অন্যতম কয়েকটি জায়ান্ট প্ল্যাটফর্মের মধ্যে ইউটিউব একটি। পুরো ইন্টারনেট পপুলেশনের এক-তৃতীয়াংশই নিয়মিত ইউটিউব ভিজিট করে। তাহলে বুঝাই যাচ্ছে কি পরিমান জনপ্রিয়তা রয়েছে অনলাইনে ভিডিও শেয়ারিং করার এই মাধ্যমটির। আর এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে একটি ক্যারিয়ার গড়তেই সবাই মূলত তাড়াহুড়ো করে ইউটিউবে এসেই ভিডিও আপলোড করা শুরু করে দেয়, যা নতুন মার্কেটারদের অন্যতম বড় ভুল।
আপনি যদি ইউটিউবে নতুন হয়ে থাকেন কিংবা এখানে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করার পরিকল্পনা করছেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রথমে ইউটিউব এবং এর বিভিন্ন গাইডলাইন সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞান থাকতে হবে। ইউটিউবকে ভালভাবে না জেনে আপনি কখনোই এই বিশাল জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মটির সুবিধাগুলো নিতে পারবেননা। বিশেষ করে ইউটিউবে আপনার চ্যানেলটিকে টিকিয়ে রাখতে হলে আপনাকে ইউটিউবের শুধু নিয়ম-কানুন মেনে চললেই হবেনা, আপনাকে একজন Value Providing User হতে হবে। তার মানে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার কাজের মধ্য দিয়ে সবসময় ইউটিউবের ভিজিটররা ভ্যালু পায়। এই ব্যাপারটি খুবই গুরত্বপূর্ন।
০২. সাক্সেসের পথ একটাই, অনেকগুলো না
ইউটিউব আর্নিং-এ যারা নতুন তাদের আরেকটি বড় ভুল হল তারা শুধু ভাল টিউটোরিয়াল বা মেথড খুজতে থাকে। আসলে এটা একরকম রোগ। বাস্তবে ইউটিউব থেকে আর্ন করার বা সফল হওয়ার অনেকরকম স্ট্র্যাটেজী বা মেথড রয়েছে, তবে বেস্ট মেথড বলে কিছু নেই। যারা নতুন কাজ শুরু করছেন তাদের উচিত হবে যেকোন একটি ভাল (এবং সময়ের সাথে আপডেটেড) গাইডলাইন অনুসরন করা। একটি স্ট্র্যাটেজীতে কাজ করতে করতে আরেকটি টিউটোরিয়াল বা কোর্স দেখে সেই মেথডে জাম্প করা যাবেনা। মনে রাখবেন, যখনই আপনি জাম্প করবেন ঠিক তখন থেকেই আপনার সফলতার গল্প ওখানেই থেমে থাকবে, যতক্ষন পর্যন্ত না আপনি আবার আপনার লাইনে ফিরে না আসেন। সুতরাং যেকোন একটি ভাল সোর্স থেকে ভালভাবে কাজ শিখে সেটা নিয়ে লেগে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনি সফল হচ্ছেন। সঠিক উপায়ে কাজ জানলে যেকোন স্ট্র্যাটেজীতেই ইউটিউব থেকে সফল হওয়া সম্ভব।
০৩. কোন নিশে কাজ করলে সাক্সেসফুল হতে পারি?
দীর্ঘদিন Bangladesh Video Marketers ফেসবুক গ্রুপটির অ্যাডমিন হওয়ার সুবাধে প্রায়শই আমাদের কাছে যেই প্রশ্নগুলো আসে, তার মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন হল, “ভাইয়া, একটা নিশ বলে দেন যেটাতে কাজ করলে সফলতা আসবে”। যেকোন অভিজ্ঞ মার্কেটার এই প্রশ্নটি শুনলেই বুঝতে পারেন যে প্রশ্নকর্তা সম্পূর্ন ভুল মাইন্ডসেট নিয়ে ইউটিউব যাত্রা শুরু করেছেন। আসলে সাক্সেসফুল নিশ বলে কিছু নেই, আপনার কাজের মান এবং আপনার Creativity নির্ধারন করে দিবে আপনি সফল হতে পারবেন কিনা। আর নিশ সিলেকশনের ক্ষেত্রে ইউটিউব নিয়ে অবশ্যই রিসার্চ করতে হবে। ইউটিউবে এমন প্রচুর বিষয় আছে যা নিয়ে ভিডিও বানানো যায়, এবং সেগুলোর প্রতি ভিজিটরদের আগ্রহের সীমা নেই।
আবার আপনি যদি সামগ্রিক বিশ্বের ট্রেন্ড নিয়ে নিয়মিত আপডেটেড থাকেন, তাহলে সম্পূর্ন নতুন কোন বিষয়কেও আপনি ইউটিউবের অডিয়েন্সের সামনে তুলে ধরে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবেন। সুতরাং ইউটিউবের কাজের শুরুতেই আপনার মাইন্ডসেট একদম সঠিক দিকে ধাবিত করতেই হবে, কারন গতানুগতিক ভাবে আমরা অনেক রকম ভুল চিন্তা নিয়ে ইউটিউব মার্কেটিং শুরু করি, যা পরবর্তীতে আমাদের সফলতাকে বিঘ্নিত করে। একারনেই আমার ভিডিও মার্কেটিং কোর্সের প্রথম ক্লাসটা সম্পূর্নভাবে কোর্সে অংশগ্রহনকারীদের মাইন্ডসেট তৈরীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সুতরাং আপনি কাজের যেই পর্যায়েই থাকেন না কেন, আজই আপনার মাইন্ডসেট ঠিক করে নিন।
০৪. ভালভাবে চ্যানেল সাজানো খুব জরুরী
একথা আপনারাও অনেকবার শুনে থাকবেন, তারপরও এটা বলতেই হবে যে আপনার চ্যানেল আপনার ইউটিউব মার্কেটিং বিজনেসের শিকড়। শিকড় দূর্বল হলে পুরো গাছ নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে। আপনার চ্যানেলকে সঠিকভাবে ব্র্যান্ডিং করুন। লোগো তৈরী থেকে শুরু করে চ্যানেলে কিধরনের ভিডিও আপলোড করবেন সেটার প্ল্যানিং পর্যন্ত প্রতিটা স্টেপ আপনার ব্র্যান্ডিং-র অংশ। এমনকি আপনি কিভাবে প্রতি ভিডিওর শেষ কিংবা শুরুতে ভিউয়ারদের সাবস্ক্রাইব করতে বলছেন, সেটাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্যটা হল যে নতুন ইউটিউব মার্কেটাররা এই বিষয়টিকে সম্পূর্নভাবে এড়িয়ে যায়, এবং পরবর্তীতে দীর্ঘদিন কাজ করেও সফলতা না পেয়ে হতাশায় পড়ে যায়।

০৫. রিসার্চ করতে না জানলে আজই ইউটিউব মার্কেটিং ছেড়ে দিন
জী, বর্তমান সময়ে ইউটিউব মার্কেটারদের প্রধান স্কিল হওয়া উচিত ভাল রিসার্চ করতে জানা। অথচ সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে নতুন মার্কেটাররা বিভিন্ন রকম শর্টকাট ট্রিকসের পিছনে ছুটে সময় নষ্ট করে। প্রায় সকলেই ইউটিউবের SEO Factors নিয়ে সার্চ করেন কিন্তু সেই ফ্যাক্টরগুলোর সাথে রিসার্চের সম্পর্ক কতটা জড়িয়ে আছে সেটা উপলব্ধি করতে পারেননা। আমার কোর্সের ২য় ক্লাসেই আমি শিখাই কিভাবে ইউটিউবের ভিতর থেকে রিসার্চ করে ইউটিউবের SEO Factors-গুলো খুজে বের করা যায়।
অর্থাৎ আমি গৎবাঁধাভাবে SEO Factors List ধরিয়ে দেইনা, বরং এই ফ্যাক্টরসগুলো কোথায় কিভাবে কাজ করছে এবং ইউটিউব কেন এগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে সেটা রিসার্চ করে বের করা শিখিয়ে দেই। আমার কাছে মনে হয় এইভাবে চিন্তা করা শিখলে তা সত্যিকার অর্থে ইউটিউব মার্কেটারদের ভাল রিসার্চার হিসেবে গড়ে তুলবে।
সুতরাং আপনারা যারা নতুন কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন তারাও আজ থেকে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করা শুরু করুন। ইউটিউবের ভিতরেই সব রকম রহস্য লুকিয়ে আছে, আপনার কাজ হল রিসার্চ করে সেগুলো খুজে বের করা। কারো রেডিমেড বানিয়ে দেওয়া লিস্ট দিয়ে আপনার উপকার হবেনা। Research More On YouTube
০৬. বিভিন্ন ট্রিক্সের পিছনে না ছুটে ভিডিও মেকিং ভাল করার পিছনে সময় দিন
নতুন মার্কেটারদের ২য় প্রধান স্কিল হওয়া উচিত ভিডিও মেকিং-এ পারদর্শী হওয়া। গত এক বছরে ইউটিউব তাদের প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এবং এই সকল পরিবর্তনের মূলে রয়েছে ইউটিউবে প্রতিনিয়ত আপলোড হওয়া ভিডিওসমূহের কোয়ালিটির উন্নতি সাধন। অর্থাৎ ইউটিউব চাচ্ছে তার কনটেন্ট ক্রিয়েটররা যেন আরো বেশি ভাল কনটেন্ট/ভিডিও তৈরীতে আগ্রহী হয়। আর ভাল ভিডিওর শুরু হয় একটি ভাল আইডিয়া দিয়ে, কিন্তু সেটার Execution হয় ভাল মেকিং দিয়ে।
তার মানে আপনার আইডিয়া যতই ভাল হোক, আপনার ভিডিও মেকিং কোয়ালিটি ভাল না হলে ভিউয়াররা খুব দ্রুত অন্য ভিডিওতে চলে যাবে এবং ইউটিউব সেই বিষয়টিকে খেয়াল করে আপনার ভিডিও সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংকে নামিয়ে দিবে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে ইউটিউব মার্কেটিং শিখার যত সোর্স আছে, তার প্রায় অধিকাংশই ভাল ভিডিও মেকিং নিয়ে কথা বলেনা। এছাড়া নতুনরাও সাধারনত মনে করে থাকে যে একটি ভাল সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করলেই ভাল ভিডিও তৈরী হবে। কিন্তু বাস্তবে একটি সফটওয়্যার তখনই আপনার জন্য আশির্বাদস্বরুপ কাজ করবে যখন আপনি সঠিক আইডিয়া নিয়ে একটি ভিডিওর প্রতিটি দৃশ্য আগে থেকে প্ল্যান করবেন। সুযোগ পেলে এই ব্যাপারে আরো পরিষ্কার করে নতুন কিছু লিখব।
০৭. Thumbnail হল আপনার সেলসম্যান
আপনার ভিডিওতে রেগুলার ভাল ভিউ পেতে হলে আপনার থাম্বনেইল ভাল হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমরা অনেকেই মনে করে থাকি যে আমার ভিডিওর সাথে সম্পর্কিত ভাল কোন ইমেজ গুগল থেকে খুজে নিয়ে থাম্বনেইল করে দিলেই বোধহয় কাজ হবে। কিন্তু এখানেও রয়েছে রিসার্চের খেলা। যেন তেন ইমেজ বানিয়ে দিলেই কাজ হবেনা, বরং আপনাকে অবশ্যই আপনার নিশের অন্যান্য ভিডিও রিসার্চ করে বের করতে হবে আপনার থাম্বনেইলে কি কি উপাদান থাকলে সেটা সফল হতে পারে। এই পয়েন্টের টাইটেলেই বলেছি, থাম্বনেইল হল আপনার সেলসম্যান, তার মানে এটি একটি প্রতিযোগীতাপূর্ন কাজ। একই বিষয়ে একাধিক ভিডিও আছে ইউটিউবে, তাহলে একজন ভিউয়ার অন্যদের ভিডিও বাদ দিয়ে আপনারটা কেন দেখবে ? এর উত্তর হল আপনার থাম্বনেইল অন্যদের থাম্বনেইলকে হারিয়ে ভিউয়ারের দৃষ্টি আকর্ষন করে নিবে। সুতরাং এখানে মার্কেটিং এবং গ্রাফিক্স – ২টা বিষয়ের সঠিক মিশ্রন করাতে হবে।
০৮. এত কিছু শিখে কি করব? পেইড বুস্টিং করলেই তো হয়
ভিডিও আপলোড দেওয়ার পর সেটায় পেইড ভিউ বা এ্যাড দিয়ে ভিউ নেওয়ার প্রচলন অনেকদিনের। যদিও আমাদের দেশে এই প্রচলন ঘটেছে অল্প কিছুদিন হল। এই কারনেই নতুন ইউটিউবারদের মধ্যে একটা বড় ভুল ধারনা থেকে যাচ্ছে, আর তা হল যে পেইড ভিউ নিয়ে বুস্ট করলেই হয়ত সেই ভিডিও সফলভাবে রেগুলার ভিউ আনা শুরু করে দেয়। এটি আসলেই এত বড় ভুল ধারনা যে অনেকেই এই ব্যাপারে টাকা খরচ করে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং পরে কোন না কোন অভিযোগ উঠিয়ে কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।
আসলে বাস্তবতা হল, পেইড ভিউ কিংবা পেইড এ্যাড আপনার ভিডিওর জন্য তখনই কার্যকরী হবে যখন আপনি উপরের বাকি বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে করতে সক্ষম হবেন। এই কথাটিকে মেনে নিয়েই এখন থেকে আপনাকে আপনার কাজের কোয়ালিটিতে মনোযোগী হতে হবে। অন্য কোন বিকল্প খোজা মানে আপনার লম্বা সময় নষ্ট করা।
এই বিষয়গুলো বাদেও আরো বেশ কিছু ব্যাপার রয়েছে যেগুলো নিয়ে আপনার কাজ করতে হবে। তবে উপরের জিনিসিগুলো হল প্রধান, যেগুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে পারলে আপনি ইউটিউবে সফলতার মুখ দেখবেন আশা করা যায়। সর্বোপরি আপনার পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত রিসার্চ আপনাকে এই সেক্টরে সফল করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।

Tuesday, September 11, 2018

September 11, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি কার্যকরী Tips

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি কার্যকরী Tips

আমরা সবাই ই এখন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করি কিন্তু এই অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ । এই কারনেই আমরা অনেকেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সাথে নরমাল ফোন ব্যবহার করি কিন্তু আজকে আপনাদের জন্য আমি কিছু টিপস নিয়ে আসলাম যাহ ফলো করলে আপনার ফোন এর ব্যাটারি লাইফ ৩০% পর্যন্ত বাড়বে গ্যারান্টি দিলাম ।
এই টিপসগুলো ফলোও করার পর আমার স্মার্টফোন এর ব্যাটারি লাইফ ৩-৪ ঘণ্টা বেরে গেছে ।

১) নতুন মোবাইল কিনে কম পক্ষে ৮-১০ ঘন্টা চার্জ দিন।
২) খুব বেশী দরকার না হলে ভাইব্রেশন ব্যবহার করবেন না। ভাইব্রেশনের কারণে দ্রুত চার্জ ফুরায়।
৩) মাসে একবার ব্যাটারীর সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হয়ে গেলে চার্জ দিন।
৪) চার্য দেওয়ার সময় Airplane mode চালু করে রাখুন।তাড়াতাড়ি চার্য হবে
৫) মোবাইলের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন।বেশী আলো আপনার চোখের সমস্যও করতে পারে!
৬) আমি মাসে একবার factory data reset দিই।আবার নতুন ভাবে সাজাই। এতে ভাইরাস বা ম্যালওয়ার দূর হয়ে যায় এবং মোবাইল ব্যাটারি দুটোই সুস্থ থাকে। আপনারা যারা অতিরিক্ত স্মার্টফোন ইউজার তারা প্রতি সাপ্তাহে একবার রিসেট দিতে পারেন।
৭) সব সময় সেটের অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন।
৮) যাদের গেমস খেলা বা মুভি দেখার সময় বাইরে থেকে কল আসার সম্ভাবনা কম তারা Airplane mode চালু করে গেম খেলুন বা মুভি দেখুন।
৯) অকারণে ব্লু-টুথ,ইন্টারনেট,ওয়াইফাই অন করে রাখবেন না।
১০) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বারবার সার্চ করলেও বেশি ব্যাটারি ক্ষয়। সুতরাং এটি থেকে বিরত থাকুন।
১১) ঠাণ্ডা স্থানে মোবাইল ফোন রাখুন। অর্থাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায়। বেশি গরম স্থানে মোবাইল ফোন রাখবে না। আমি একটা আইপিএস-এর ওপর ব্যাটারি রেখেছিলাম। পরে আমার ফোনের ১৩টা বাজছে।
১২) চার্জ থেকে খুলার জন্য আগে সকেট থেকে চার্জার খুলবেন তারপর মোবাইলের কেব্‌ল খুলবেন ।
১৩) চার্জের সময় মোবাইল অফ রাখা ভাল ( বিশেষ করে নতুন মোবাইলের জন্য ) ।
১৪) ব্যাটারির আয়ু ১৫-৩০% থাকলে চার্জ দিবেন এর আগেও না পরেও না । Android-Jelly-Bean-Improves-the-Battery-Life-Screenshot
১৫) লম্বা সময় ধরে চার্জার লাগিয়ে রাখবেন না । আমারা অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় চার্জে দিয়ে ঘুমাই, এতে করে ফুল চার্জ হওয়ার পরও অনেক্ষন চার্জার কানেক্ট থাকে । এ অভ্যাস ত্যাগ করুন, না হলে ব্যাটারীর ক্ষতি হবে ।
১৬) WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন মোবাইল নেট কানেকশন থেকে বেশী ব্যাটারি ব্যবহার হয় যদিও WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন অনেক যায়গায় সহজে ও বিনা পয়সায় ব্যবহার করা যায়। তাই নেহাত প্রয়োজন না হলে WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন বন্ধ করে রাখুন তাতে আপনার ব্যটারির লাইভ সেইভ হবে।
১৭) Wall paper যদি animated বা motion ওরিয়েন্টেড হয় তাহলে তা ডিজেবল করে রাখুন।
১৮) বিভিন্ন ব্যাটারি সাপোর্টেড ইউটিলিটি সফটওয়্যার ফ্রি পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে পারেন।
১৯) ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যায়, বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০% পর্যন্ত চার্জ করা ঠিক নয়! বরং এর চার্জ সব সময় ৪০-৫০% এর উপরে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ সবসময় ৪০-৮০ শতাংশের মধ্যে রাখলে সেটাই তার পারফর্মেন্সের জন্য সর্বোত্তম হবে। এমনকি ওয়্যারলেস চার্জিং এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেয়া আছে এতে।
২০) লাইভ ওয়ালপেপার বা ভিবিন্ন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার ইনস্টল থেকে বিরত থাকুন।মনে রাখবেন যত কম সফটওয়ার ইনস্টল থাকবে মোবাইল তত বেশী দ্রুততর হবে এবং ব্যাটারি কম খরছ হবে।
সর্বশেষ একটাই সমাধান সেটা হল পাওয়ার ব্যাংক!
September 11, 2018

১০ উপায়ে বাড়িয়ে নিন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব 

১০ উপায়ে বাড়িয়ে নিন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব 

আপনার এবং আপনার চ্যানেলের পরিচিতি প্রদান করে একটা মনোমুগ্ধকর চ্যানেল ট্রেইলার তৈরি করুন যা কেউ আপনার চ্যানেলের হোমে আসলে অটো-প্লে হবে। আপনার ভিডিও নিসে আপনাকে অথোরিটি দিতে এটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

ভিডিও এর শেষে একটা বড় এনোটেশনে শক্ত কল-টু-একশন প্রদান করুন।

 ট্রেন্ডিং ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করার পাশাপাশি কিছু ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করুন যেগুলো কখনো পুরনো হবে না। ট্রেন্ডিং ভিডিও দ্রুত কিছু কিছু ভিউ পাওয়ার জন্য কাজ করে, কিন্তু আপনার চ্যানেলকে স্মরণযোগ্যও রাখতে হবে। এতে আপনার চ্যানেলের আয় হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোন চান্স নেই। আর এটা গুগল রেঙ্কিংয়েও সহায়তা করে।

 আপনার ব্লগেও সাবস্ক্রাইভ বাটন দিন। সেটা এম্বেডেড ভিডিও এর পাশে হলে আরও ভালো হয়।

 কিছু ক্ষেত্রে মানুষ শুধুমাত্র লং-টেইল কীওয়ার্ড দিয়েই সার্চ করে থাকে। তাই এধরনের কিছু নিয়ে ভিডিও বানালে লং-টেইল ডেসক্রিপশন ব্যাবহার করবেন। এতে এমন কিছু ভিউ পাবেন যারা এই ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহী।

আপনার সাইটে বা ব্লগে একটা ইউটিউব উইজেড ব্যাবহার করতে পারেন। Tintএধরনের কাজের জন্য অনেক ভালো একটা টুল।

 আপনার ভিউয়ারদের লাইক করতে বলুন। কারন ভিডিওতে লাইক ইউটিউবকে ইনফর্ম করে যে আপনার ভিডিও পপুলার, তখন ইউটিউব সার্চ এ এটি প্রাধন্য পায়।

আপনার ভিডিওতে দেওয়া কমেন্ট সবসময় চেক করুন এবং উত্তর দিন। এতে যেমন আপনার ভিউয়ার সাবস্ক্রাইবাররা বুজবে আপনি তাদের প্রতি আন্তরিক তেমনি ইউটিউব ও বুজবে যে আপনি আপনার ভিউয়ারদের প্রাধন্য দেন।

অন্য ইউটিউবার এর সাথে কাজ করে দুজনেই দুজনের চ্যানেল প্রমোট করুন। আবার দুইজন একসাথে কিছু কো-ব্রেন্ডেড ভিডিও তৈরি করুন।

Creator Dashbaord এবং Analytics থেকে সবচেয়ে একটিভ ফানজ খুজে বের করুন এবং তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করুন। এবং তাদেরকে তাদের কমিনিটিতে ভিডিও শেয়ার করতে বলুন।
September 11, 2018

কিভাবে ইউটিউবার হবেন

কিভাবে ইউটিউবার হবেন

যাদের চানেল, এ্যাডসেন্স সব সাস্পেন্ড হয়ে যাচ্ছে, গেছে তারা একটু এই পোস্ট টা দেখেন, আপনাদের অনেক উপকার হবে, এই পোস্ট এর মাধ্যমে আপনারা যানতে পারবেন, কিভাবে ইউটিউব থেকে লিগ্যাল ওয়েতে কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন
কিভাবে বাংলাদেশ এর নামকরা ইউটিউবার, সালমান মুক্তাদির, আসিফ বিন আজাদ, শামীম হাসান সহ যাদের কে সবাই ইউটিউবার হিসিবে চিনে কিভাবে এমন নামকরা ইউটিউবার হতে পারবেন কিভাবে গেম খেলে ইনকাম করবেন এবং আরও কিছু উপায়ে ইনকাম করতে পারবেন তার গাইডলাইন
সো প্রথমে জেনেনিন কিভাবে একজন সফল ইউটিউবার হতে পারেন
কি কি লাগবে? ?
# একটি ইউটিউব একাউন্ট
# একটি মোটামোটি ভালো মানের কম্পিউটার
# ওয়েব ক্যাম
# ডিজাটাল ক্যামেরা, আপনার মুঠোফোন টি ও কাজে লাগাতে পারেন, ভালো ক্যাম্যরা লাগবে এমন কোন কথা নাই
# ইন্টারনেট কানেকশন
# ভালো ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ( হিট ফিল্ম এক্সপ্রেস এটা ব্যবহার করতে পারেন একদম ফ্রি এটা দিয়ে হাইকোয়ালিটি ভিডিও এডিটিং করা যায় ( ইউটিউবে কি ভাবে এটা দিয়ে কাজ করবেন ফুল টিউটোরিয়াল দেয়া আছে
# কিছু ভাল বন্ধু যারা নিসার্থ ভাবে আপনার সাথে কাজ করবে
আমাদের দেশে অনেক ইউটিউবার রয়েছেন তাদের মধ্যো এ গুটি কয়েক জন সাক্সেস রয়েছেন আরও অনেকে কাজ করতেছেন কিন্তু সাক্সেস হতে পারতেছেন না কি ভাবে সাক্সেস হবেন তা নিয়েই ই আমার এই লেখা
সাক্সেস ফুল ইউটিউবার হল সবার পরিচিত ব্যক্তি ইন্টারনেট এর দুনিয়ায়, যারা কিনা পপুলার গেমস, ফানি ভিডিও, প্রাংক ভিডিও, মোবাইল আনবক্সিং ভিডিও তৈরি করে থাকে এবং তা ইউটিউবে আপলোড করে এবং সেটা থেকে টাকা ইনকাম করে থাকে, এবং অনেকে আছে যারা তাদের প্রতিদিনের লাইফ স্টাইল এর ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করে থাকে
এবার আপনি চিন্তা করুন কোনটি করবেন?
মনে করেন আপনি ভালো কমেডিয়ান তাহলে আপনি ফানি ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারেন দুই তিন জন ভালো বন্ধু নিয়ে ফানি ভিডিও তৈরি করতে পারেন কেমন টাইপের ভিডিও মানুষ দেখে তার আইডিয়া নিতে ইউটিউব এ গিয়ে বাংলা ফানি ভিডিও লিখে সার্চ দিন আইডিয়া পেয়ে যাবেন
একটি সুন্দর ইউটিউব এর চ্যানেল এর নাম দিন, অনেকেই দেখি আলতু ফালতু নাম দেন
আপনার চ্যানেল এর জন্য প্রথম ভিডিও তৈরি করুন : অনেকে আছে খালি স্লাইড ভিডিও বানায়, স্লাইড ভিডিও দিয়ে তেমন স্ফল হওয়া যায়না এটি আপনি আপনার মুঠো ফোন দিয়ে রেকর্ড করে আপলোড করতে পারেন তাতে করে তারা তারি সফল হবেন আপনার ভিওয়ার বাড়বে সাবসক্রাইবার ও বাড়বে তারাতারি
# আপনার ভিডিও টি ভালোভাবে এডিটিং করুন কিছু টেকস্ট ইমেজ ইফেক্ট দিন দএতে করে আপনার ভিডিওর লুক অনেক ভাল হবে এবং দেখতে অনেক প্রফেশনালি দেখাবে
# ভিডিও এডিট করা শেষ হলে এবার আপলোড করার পালা, আপলোড করার সময় অবশ্যই ভালোভাবে টাইটেল ট্যাগ এবং ডেসক্রিপশ্ন দিবেন এই গুলা যদি ঠিকমত না দেন তাহলে আপার ভিডিও তেমন ভিউ হবেনা আর ভিডিও ভালো ভাবে SEO করবেন তাতে করে আপনার ভিডিও র্যাকং হবে তারাতারি, আর ভালো একটি ভিডিও থাম্বলাইন দিবেন শুধু মাত্র এক্টি ভাল ভিডিও থাম্বলাইন এর কারনে আপনার একটি ভিডিও ১৫০ গুন পর্যন্ত বেশি ভিউ হতে পারে, কিভাবে থাম্বলাইন বানাবেন সেটা দেখতে ইউটিউবে গিয়ে how to make youtube thambali লিখে সার্চ দেন সব পেয়ে যাবেন কি ভাবে কি করতে হবে আর যারা ইউটিউবে অনেক পপুলার তাদের ভিডিও তে দেখবেন অনেক সুন্দর সুন্দর থাম্বলাইন দেয়া আর তাদের ভিউ ও অনেক
# আপনার ভিডিওর ভিউ বাড়াবেন যেভাবে
#সব কিছু হয়ে গেরে ভিডিও টি আপনার কাছের বন্ধু বান্ধব এর কাছে শেয়ার করুন তাদের দেখতে বলুন এবং শেয়ার করতে বলুন এবং সাসক্রাইব করতে বলুন আর ভিডিও টি ফেসবুক, টুইটার, রেডিট, গুগোল প্লাস এ শেয়ার করতে বুলবেন না, আর টুইটার এ ফলোয়ার বাড়াতে টুইপি সাইটটা ব্যবহার করতে পারেন ভালো ফল পাবেন, আর আপনি যদি আরেকটু তারাতারি সফল হতে চান তাহলে ফাইবারের সার্ভিস নিতে পারেন এখান থেকে ভিউ এবং সাস্ক্রাইবার কিন্তে পারবেন আপনার পরিচিত ইউটিউবার কে আপনার ভিডিও টি দেখতে এবং সাস্ক্রাইব করতে বলুন এতে করে আপনার ভিডিও টি ও মিলিয়ন ভিউ হয়ে যাবে এটা ও একটা সিক্রেট টিপস
# ভিডিও এর এর কোয়ালিটি অনেক ভালো রাখতে হবে, লো কোয়ালিটির ভিডিও বানালে তেমন সফল হবেন না ভিডিও ৭২০ p hd তে রাখার জন্য ট্রাই করবেন করবেন সব সময়
কিছু টিপস :
সব সময় ইউনিক ভিডিও বানাবেন কারো থেকে কপি মারার ট্রাই করবেন না
ভিডিও তে কোন স্পাম করবেন না, অশাধু উপায়ে কাজ করবেন না,
ভিডিও বানানো থামাবেন না , যারা সফল ইউটিউবার তারা ও আপনার মত ছিল, তাদের ও প্রথম অবস্থায় কোন সাবস্ক্রাইবার ছিলনা সো বেশি করে ভিডিও বানালে ভিডিও বানালে আমার দেয়া ট্রিকমত সফল হবেন
September 11, 2018

ইউটিউব থেকে আয় করার ৮ টি ক্রিয়েটিভ উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ৮ টি ক্রিয়েটিভ উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ১১ টি ক্রিয়েটিভ উপায় : ইউটিউব থেকে ইনকাম করুন আজ থেকেই
১ : আপনার ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বাড়াতে
মনে করেন আপনার একটি ওয়েব সাইট আছে, এখন সেই ওয়েব সাইট এর জন্য ট্রাফিক দরকার এর জন্য আপনি ইউটিউব ব্যাবহার করতে পারেন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে টার্গেট করে ভিডিও বানাতে পারেন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আপনি কি কি সার্ভিস দিতে চান সেটার উপর একটা ভিডিও তৈরি করেন এই ভিডিও আপনি পাওয়ার পয়েন্ট, উইন্ডোজ মুভি মেকার দিয়ে খুব সহজে ভিডিও তৈরি করতে পারেন এতে করে আপনার যখন আপনি ভিডিও আপলোড করবেন তখন ভিডিও এর ডেসক্রিপশন এ আপনার ওয়েব সাইটের লিংক দিয়ে দিবেন তাতে করে আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়বে সেখান থেকে একটা ইনকাম আসবে আবার আপলোড করা ভিডিও থেকেও ইনকাম আসবে
২ : ইউটিউবে নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করুন
ইউটিউবের মাধ্যমে এখন আপনি নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন আপনার ইবুক, মিউজিক, মোবাইল সফটওয়্যার, আপনার প্রোডাক্ট ভিডিও তেৈরি VideoMakerFX ব্যবহার করবেন এবং ইউটিউবে আপলোড করার সময় আপনার পন্য টি কিনার লিংক দিয় দিবেন ভিডিও ডেসক্রিপশন এ
৩: এ্যফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে প্রোডাক্ট সেল করে আয় করুন :
এ্যফিলিয়েট মার্কেটিং হল কিছু কমিশন এর মাধ্যমে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে আয় করা, হাজার হাজার কোম্পানি এ্যফিলিয়েট মার্কেটার দের সাথে চুক্তি করে তাদের কোম্পানির প্রোডাক্ট সেল করে দেয়ার জন্য এবং তাদের কোম্পানির প্রচার এর জন্য যেমন Amazon and eBay, ClickBank, Commission Junction, and ShareASale.com
ইউটিউব থেকে এ্যফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে আয করতে চাইলে আপনি তাদের প্রোডাক্ট এর রিভিও ভিডিও তৈরি করে এবং কিভাবে এটা ব্যাবহার করা যায় তার উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করবেন যখন আপনি ইউটিউবে তাদের ভিডিও আপলোড করবেন তখন আপনার এ্যফিলিয়েট লিংক ভিডিও ডেসক্রিপশন এ দিয়ে দিবেন এখন পন্য টি যতবার সেল হবে আপনি তার উপরে একটা কমিশন পাবেন
৪: হয়ে যান ইউটিউব পার্সোনালিটি
ইউটিউব এ স্টার যারা আছে তারা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করতেছে BlueXephos তার ই উদাহরন এই চ্যানেল টিতে বিলিয়ন ভিউ হয়েছে আরও হবে সে প্রতি ১০০০ ভিউতে প্রায় ৬ থেকে ৭ ডলার ইনকাম করে নিচ্ছে এখন আপনি সালমান মুক্তাদি বা শামিম এর মত আপনার বন্ধু বান্ধব নিয়ে বাংলা ফানি ভিডিও, শিক্ষা মূলক ভিডিও, তেরি করে ও ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন
৫: টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি করে ইনকাম করুন
ইউটিউবে টিউটোরিয়াল ভিডিও এর অনেক চাহিদা রয়েছে, মনে করেন আপনি ফটুশপ, এবং বিভিন্ন ভিডিও এডিটং, ওয়েব ডিজাইন এর কাজ যানেন এখন এগুলোর উপর টিউটোরিয়াল তৈরি করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন আর টিউটোরিয়াল ভিডিও ইউটিউবে ভিউ হয় অনেক
6: ইউটিউবে আপনার বাচ্চার অথবা আপনার পোষা বিড়াল এর ভিডিও দিয়ে ইনকাম করুন
আপনি ইউটিউবে পপুলার অথবা স্টার হতে হলে বড় সিংগার, বড় গায়ক হতে হবে এমন কোন কথা নেই আপনি আপনার বাচ্চার, বিড়াল এর, ফানি ভিডিও গুলো মুঠোফোন এর মাধ্যমে ভিডিও করে ইউটিউবে আপলোড করে দিন, দেখবেন কি পরিমান ভিউ হয়, আর ইউটিউবে আপনি baby funy video, animal video লিখে সার্চ দিয়ে দেখবেন সেই ভিডিও গুলোতে কি পরিমান ভিউ
7: গেমস খেলে এবং সেটা স্কিন রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করে ইনকাম করুন
আপনি যদি গেম পাগলা হয়ে থাকেন তাহলে সেটা ইউটিউবে আপলোড করে আপলোড করে ইনকাম করতে পারেন, বর্তমানে পকিমন গো, ফিফা গেম, এবং মিনিক্রাফট গেম এর অনেক চাহিদা রয়েছে এই গুলা খেলে স্কিন রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করে হাল্কা এডিটিং করে ইউটিউবে আপলোড করুন এবং ইনকাম করুন
8: নতুন নতুন মোবাইল এর আনবক্সিং ভিডিও এবং সেটার রিভিও দিয়ে ইনকাম করুন
আপনার যদি মোটামোটি ভালো বাজেট থাকে তাহলে নতুন নতুন ফোন কিনে সেটার রিভিও দিতে পারেন, মোবাইল ফোন এর অানবক্সিং এবং রিভিও ভিডিও এর ইউটিউবে অনেক চাহিদা রয়েছে, সব চাইতে বেশি ইনকাম করতে পারবেন যদি রিভিও দেয়ার সময় ইংরেজী তে কথা বলে দিতে পারেন, ইংরেজি বলাটা উপরোক্ত সব গুলো গুলো আয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারলে আপনার ইনকাম আরও বহুগুন বেড়ে যাবে
YouTube Partner হওয়া
তারপর বামপাশের অপশন হতে My Channel এ ক্লিক করলে আপনার YouTube Channel টি দেখতে পাবেন। আপনার Channel টির নামের উপরে Video Manager নামে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন। এখন বামপাশের Channel অপশনে ক্লিক করার পর ডানে অনেক অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার নামের পাশে থাকা Partner হতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে Partner Verified করতে হবে। Partner Verified না করলে আপনার ভিডিও গুলিকে Monetized করতে পারবেন না।

ভিডিও আপলোড করা
এখন আপনার ভিডিওটি আপলোড করুন। আপলোড হওয়ার পর ভিডিওটির নিচের দিকে Monetized অপশন দেখতে পাবেন। এখানে Monetize with ads অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে দিলেই আপনার ভিডিওটিতে এখন থেকে Google বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে। তবে সাবধান কোন প্রকার কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না। তাহলে ইউটিউব যে কোন সময় আপনার Monetized অপশন Disable করে দেবে।
AdSense এ Apply করা
এখন আপনাকে আপনার YouTube Channel এর মাধ্যমে Google AdSense এর জন্য আবেদন করতে হবে। এই AdSense এর মাধ্যমে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন। এখন আবার বামপাশের Channel অপশন হতে Monetization অপশনে ক্লিক করে ডানপাশে Enable Monetization বাটন হতে Monetization একটিভ করে নিতে হবে। তারপর নিচের দিকে How Will Paid নামে আরেকটি অপশন পাবেন। সেখানে associate an AdSense account এ ক্লিক করে Next ক্লিক করে আপনার Gmail ID এর মাধ্যমে লগইন করে যাবতীয় তথ্য দিলেই আপনার AdSense Request চলে যাবে। এখন ২-৩ দিনের মধ্যে আপনার AdSense Approve এর মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসবে
September 11, 2018

ইউটিউব সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

ইউটিউব সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর




প্রথম প্রশ্ন : কি করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলব?
উত্তর : খুব সহজ, একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরী করুন। নিজের সঠিক নাম, বয়স এবং ফোন নম্বর দিয়ে। এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগ ইন করুন। সেখানে ‘Create Channel’ পাবেন। তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরী করুন। একটা ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করুন। এবং আপনার নিজের ক্যামেরায় তৈরী যে কোনো ফুটেজ আপলোড করুন। ব্যস, আপনার ৫০ শতাংশ কাজ রেডি।
দ্বিতীয় প্রশ্ন : আমি ভিডিও আপলোড করেছি কিন্তু টাকা আসছে না।
উত্তর : টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে আপনার ভিডিওটি ‘Monetized’ করতে হবে। ইউটিউবের Video Manager-এ ক্লিক করুন, বা-দিকে একটা লিস্ট আসবে সেখানে Channel-e ক্লিক করুন, সেখানে আপনি Monetization পাবেন। এখান থেকে আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাকটিভ করতে হবে। (অ্যাকটিভ করার উপায়টি লিখে সঠিক বোঝানো সম্ভব নয়, নিজে থেকে চেষ্টা করুন এবং স্টেপগুলি ফলো করুন)।
তৃতীয় প্রশ্ন : আমি কি যেকোনো ভিডিও আপলোড করতে পারি?
উত্তর : আপনি আপলোড করতে পারবেন সব ভিডিও কিন্তু সব ভিডিও থেকে পয়সা উপার্জন করতে পারবেন না। আপনি অন্য কোনো সিনেমা বা টিভির থেকে নেওয়া ভিডিও বা অডিও , এমনকি আপনার ভিডিওর মধ্যেও যদি অন্য কারো ভিডিও বা অডিও থাকে তাহলে সেটাও মনেটাইজ হবে না, ইচ্ছে করলে ইউটিউব আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করে দিতে পারে এবং আর আপনি কখনই আপনার নিজের নামে ভবিষ্যতে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না।
চতুর্থ প্রশ্ন : পাড়ার ফাংশানে একজন গায়ক গান গেয়েছে আমি তার ভিডিও নিয়েছি, সেটা কি আমি আপলোড করতে পারি?
উত্তর : এক্ষেত্রে ভিডিওটি আপনার নিজের কিন্তু যেহেতু অডিওটি অন্য কারো তাই আপনি সেটি থেকে উপার্জন করতে পারবেন না। জেনে রাখুন, অন্য কারো গান আপনি নিজে গেয়েছেন সেটাও কিন্তু ইউটিউব গ্রহণ করবে না।

ষষ্ঠ প্রশ্ন : কত টাকা উপার্জন সম্ভব?
উত্তর : এরও কোনো সঠিক উত্তর নেই। ইউটিউব থেকে টাকা আয়ের মূল উৎস হচ্ছে ভিউ। যে ভিডিও যত বেশী ভিউ হবে সে ভিডিও তত বেশী অর্থ উপার্জন করবে। তবে মোটামুটি ভাবে প্রতি হাজার মনেটাইজ ভিউতে ১ থেকে ৫ ডলার অবধি আয় সম্ভব।
সপ্তম প্রশ্ন : মনেটাইজ ভিউ কি ?
উত্তর : ধরা যাক আপনার ভিডিওটে যে অ্যাড আসে, সেটা ১ মিনিট-এর মাথায়। এবার আপনার ভিডিওটি ৫০০০ ভিউ হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার জন হয়ত আপনার ভিডিও ১ মিনিটের কম দেখেছে। তাহলে ৫ হাজার ভিউ স্বত্তেও আপনার মনেটাইজ ভিউ হবে মাত্র ২ হাজার। মনেটাইজ ভিউ কত হয়েছে সেটা একমাত্র যার অ্যাকাউন্ট সেই দেখতে পারবে ‘Analytics’-এ ক্লিক করে।
অষ্টম প্রশ্ন : কবে থেকে টাকা আয় সম্ভব?
উত্তর : আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লিকেশান অ্যাপ্রুভড হতে দুই থেকে তিন দিন লাগে। একবার অ্যাপ্রুভড হয়ে গেলেই আপনার আয় শুরু।
নবম প্রশ্ন : টাকা কবে থেকে পাব?
উত্তর : আপনার ইনকাম লেভেল যতদিন না ১০০ ডলার হচ্ছে ততদিন আপনি টাকা পাবেন না। ১০০ ডলার হলে আপনার বাড়িতে গুগল থেকে একটি চিঠি আসবে তাতে একটি কোড নম্বর থাকবে সেই কোড নম্বর দিয়ে আপনাকে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস দিতে হবে অর্থাৎ ব্যাঙ্ক নেম, অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নেম, সুইফট কোড ইত্যাদি। আপনার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট-এ আপনার নাম এবং ঠিকানা আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টের নামের সাথে মিল থাকতে হবে, নইলে এই টাকা আপনি পাবেন না। তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যেই নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে এবং সেখানে যে অ্যাড্রেস দেওয়া আছে সেটাই ব্যবহার করবেন।
দশম প্রশ্ন : কত তাড়াতাড়ি টাকা আসবে?
উত্তর : ইউটিউব মূলত একটা মাধ্যম যেখানে মানুষ নিজেদের ভিডিও শেয়ার করে। এই সাইটের প্রাথমিক লক্ষ টাকা উপার্জন নয়। তাই টাকা উপার্জন করব ভেবে যদি আপনি ইউটিউব চ্যানেল খোলেন তাহলে আপনি নিরাশ হবেন। ইউটিউব থেকে টাকা পেতে আপনাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। হতে পারে আপনার প্রথম টাকা পেতে পেতে এক বছর বা তার-ও বেশি লেগে গেল কিন্তু একবার টাকা আসা শুরু করলে এবং আপনার ভিডিও প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার ভিউ দিতে পারলে বিশ্বাস করুন আপনাকে আর কোনো চাকরী করতে হবে না।
শেষ প্রশ্ন : সকলেই কি টাকা আয় করতে পারে?
উত্তর : আঠারো বছরের যে কেউ তার নিজের মৌলিক ভিডিও দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারে। কিন্তু কার ভিডিও কত জনপ্রিয় হবে সেটা নির্ভর করছে কিছুটা আপনার দক্ষতা এবং আপনার ভাগ্যের উপর। প্রচুর মানুষ যারা নিজের পোষা বিড়ালের ছবি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করছে আবার অনেকে আছে যারা পয়সা খরচ করে নিজেরা নানা রকম ভিডিও বানিয়েও এক ডলার আয় করতে পারছে না। তাই সঠিক ভাবে যদি আপনি আপনার ইউটিউব অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করতে পারেন তাহলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা অসম্ভব নয়।
September 11, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমান

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমান

আমাদের দেশের সিম কোম্পানিগুলোর প্রতি অনেকেরই যে অভিযোগটি রয়েছে, তা হল এই কোম্পানিগুলো টাকার বিনিময়ে পর্যাপ্ত ডাটা দেয়না। আর অনেক চেষ্টার পরেও এর কোন প্রকার সমাধান হয়নি। ডাটা প্যাকেজ এর দিক দিয়ে আমরা এদের কাছে সব সময় অসহায়। কারণ আনলিমিটেড ডাটা প্ল্যান ইউজ করা আমাদের অনেকের পক্ষে সম্ভব না। তাই স্মার্টফোন কেনার পর আমাদের অনেক ভেবে চিনতে ডাটা ইউজ করতে হয়। আর এক্ষেত্রে ডাটা সেভ করার জন্য নিচের টিপস গুলো আমাদের সবার কাজে লাগবে। তো চলুন দেখি কিভাবে আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমাবেন… 

অটো আপডেট বন্ধ করাঃ

সাধারণত আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করা অ্যাপ গুলো নেট কানেকশন পেলে প্লে স্টোর থেকে আপডেট ডাউনলোড করে থাকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এই আপডেট আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। কারণ অ্যাপ গুলো আপডেট হওয়ার সময় আপনার ডিভাইসটি তুলনামূলক ভাবে স্লো হয়ে যায়। এছাড়া আপডেটের কারণে আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপনার স্মার্টফোনের ডাটা প্যাকেজের ডাটাও খরচ হতে থাকে। তো চলুন দেখি কিভাবে অটো আপডেট বন্ধ করবেন।

১) প্রথমে আপনার ডিভাইসে Play Store অ্যাপটি ওপেন করুন। এরপর আপনার ডিভাইসের মেনু বাটন বা ডিভাইসের 3 Dot মেনুতে ক্লিক করুন।
২) এবার আপনি যে মেনু পাবেন সেখান থেকে প্লে স্টোর সেটিং অপশনে ক্লিক করুন। এবার সেটিংস মেনু থেকে ‘Auto-update apps’ অপশন সিলেক্ট করুন।
৩) ‘Auto-update apps’ অপশনে ক্লিক করার পর আপনি নিচের তিনটি অপশন সহ একটি পপ আপ পাবেন…
Do not auto-update apps
- Auto-update apps at any time. Data Charges may apply and
- Auto-update apps over Wifi only
৪) এই তিনটি অপশন থেকে প্রথম অপশনটি সিলেক্ট করে দিন।

অ্যাপ ডাটা সেটিং:

অনেক সময় আমাদের ডিভাইস গুলোতে এমন কিছু অ্যাপ থাকে যা নিজে নিজেই নিয়মিত আপডেট হয়। যেমন ধরুন Google+। সাধারণত Google+ আপনার ডিভাইসে থাকা ছবি গুলো ক্লাউডে ব্যাকআপ করে থাকে, যাতে যেকোন সময় আপনি আপনার ইচ্ছা মত ছবি গুলো দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে ছবিগুলো যদি বড় মাপের তাহলে তো কথাই নেই, আপনার ডাটা প্ল্যানের বারোটা বাজতে খুব একটা সময় লাগবে না। এক্ষেত্রে আপনি যা করতে পারেন তা হল এই ধরণের অ্যাপগুলোর Settings > Auto-Backup যেয়ে আপনার মিডিয়া ফাইল গুলোর জন্য ব্যাকআপ অপশন সিলেক্ট করে দিতে পারেন।

Restrict background Data

এবার আসি এমন কিছু অ্যাপের কথায় যারা ঘুমানোর সময় ও খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে না। অর্থাৎ যে অ্যাপ গুলো ইনঅ্যাক্টিভ অবস্থায় ও ডাটা ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত জিপিএস ডাটার উপর ভিত্তি করে অ্যাপ গুলো অটো আপডেট হয় বলেই এমনটি হয়ে থাকে। ICS এবং JellyBean ডিভাইস গুলোতে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আপনি ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা অফ করে রাখতে পারেন। আর এই কাজটি করার জন্য আপনি আপনার ডিভাইসের সেটিংস্‌ মেনু থেকে Data Usage এ যেয়ে মেনু থেকে Restrict background data অপশনটি মার্ক করে দিলেই হবে।

Reduce your syncing

আমরা অনেকেই আমাদের হোম স্ক্রীনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য নানা রকম উইজেট ব্যবহার করে থাকি,বিশেষ করে ওয়েদার উইজেট। এই উইজেট গুলো প্রতিনিয়ত আপডেট হয় আপনাকে সর্বশেষ আপডেটেড ইনফর্মেশনটি দেয়ার জন্য। accounts sync হওয়ার কারণেও ডাটা খরচ হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজন না থাকলে আপনি এই Sync অফফ করে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে Settings > Data Usage > Menu > তে যেয়ে Auto-sync data অপশনটি আনচেক করে দিলেই হবে।