Search This Blog

Showing posts with label Android. Show all posts
Showing posts with label Android. Show all posts

Friday, September 21, 2018

September 21, 2018

Android মোবাইল ফোনের ৩টি লুকানো মোড

Android মোবাইল ফোনের ৩টি লুকানো মোড
আজ আমি Android মোবাইল ফোনের 3 লুকানো মোডের কথা আপনাদের জানাবো
=>ফার্স্ট বুট মোড
=>ডাউনলোড মোড
=>রিকভারি মোড

ফার্স্ট বুট মোড

এই মোডে কমান্ড লাইন টুল ফোন ব্যবহার করে ফোন ফ্ল্যাশ করা হয়

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Call" আর "End Call/Power keys" এক সাথে চাপুন

ডাউনলোড মোড

এই মোড টিকে ব্যবহার করেও ফোন ফ্ল্যাশ করা যায় । এই মোডে GUI ( গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ) টুলস ব্যবহার করে সহজ এবং দ্রুত কাজটি করা হয়।

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Volume Down", "OK" এবং "End Call/Power key" একত্রে চেপে ধরুন

রিকভারি মোড

এই মোডটিকে ফোন ফার্মওয়্যার পুনরায় রিসেট করতে বা ডিফল্ট সেটিং পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়.

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Volume Down" , "Call" এবং "End Call/Power keys" একসাথে চাপুন

এই তথ্য অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে দেয়া হচ্ছে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের বা হ্যাকারদের জন্য নয়. আপনি যদি মোবাইল ফোনের অভিজ্ঞ ব্যবহারকারি না হন, তাহলে দয়া করে উল্লিখিত কোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন না । আপনার তথ্য বা হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা এই তথ্য ব্যবহার বা অপব্যবহারের জন্য টিউনার দায়ী হতে পারে না। সুতরাং আপনার নিজের ঝুঁকিতে এটি ব্যবহার।

September 21, 2018

কিভাবে NFC দিয়ে ফাইল ট্রান্সফার করবেন?

কিভাবে NFC দিয়ে ফাইল ট্রান্সফার করবেন?

ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি ফাংশন হল NFC । অবশ্য এই NFC সব ডিভাইসে থাকে না। তবে যাদের আছে তাদের জন্য আমার এই লেখা।

প্রথমেই NFC ফাংশন চালু করার জন্য নিচের ধাপ অনুসরণ করুন।
১-আপনার Settings এ Wireless and Networks অপশনে যান।
২- এরপর NFC চেকবক্স মার্ক করুন।
বেস চালু হয়ে গেল আপনার NFC।

যেভাবে অন্য ডিভাইসে NFC দিয়ে কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করবেন :

১- প্রথমেই যেটা করবেন সেটা হল মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে এবং স্ক্রিন অ্যাকটিভ আছে।
২- এরপর আপনার কন্টাক্ট এ গিয়ে যে কন্টাক্ট গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৩- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৪- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৫- ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসের স্ক্রিনে ট্রান্সফার ইনফরমেশন ডিসপ্লে হয় এবং কন্টাক্ট লিস্টে সেভ হয়।

যেভাবে NFC দিয়ে অন্য ডিভাইসে মিউজিক ফাইল শেয়ার করবেন :

১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২- Media অথবা My Music থেকে Music Library ওপেন করুন।
৩- যে ট্র্যাক গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৪- ট্র্যাক প্লে করার জন্য ট্র্যাকে ট্যাপ করুন।এবার Pause করুন। ট্র্যাক Play অথবা Pause যেটাই থাকুক ট্রান্সফার হবে।
৫- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৬- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৭- ট্রান্সফার কম্পলিট হলে শেয়ারকৃত ট্র্যাকটি তৎক্ষণাৎ রিসিভিং ডিভাইসে প্লে হবে এবং Music অ্যাপ্লিকেশনে সেভ হবে।

যেভাবে NFC দিয়ে ফটো এবং ভিডিও ফাইল শেয়ার করবেন :

১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২- গ্যালারিতে যান এবং সেই ফোল্ডারটি ওপেন করুন যেটিতে আপনার কাংখিত ফটো অথবা ভিডিও রয়েছে।
৩- ট্যাপ করুন আপনার ফটো অথবা ভিডিওতে যেটি আপনি শেয়ার করতে চান।
৪- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৫- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৬- ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসেরর ডিসপ্লেতে শেয়ারকৃত ফটো অথবা ভিডিও ডিসপ্লে হবে এবং একই সময়ে গ্যালারিতে সেভ হবে।

# সব ট্রান্সফারে টিপস :: ভাইব্রেট এর পর তৎক্ষণাৎ ডিভাইস আলাদা করুন।এতে নতুন কানেকশন ডাটা ট্রান্সফারে ইন্টারফেয়ার করতে পারবে না।

নোট : কপি-রাইট প্রোটেক্টেড আইটেম গুলো আপনি শেয়ার করতে নাও পারতে পারেন।

Thursday, September 13, 2018

September 13, 2018

গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন (ইউটিউব)

গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন (ইউটিউব)



ইউটিউব থেকে আয় – বর্তমান সময়ে ঘরে ঘরে পরিচিত একটা ব্যাপার। বিশেষ করে তরুনদের মধ্যে এই নিয়ে ব্যাপক ক্রেজ। যেভাবেই হোক একটা ভালমানের ক্যামেরা কিংবা ক্যামেরা ফোন যোগাড় করে কিছু বন্ধু মিলেই তারা শুরু করে দিচ্ছে ইউটিউবে কনটেন্ট দেওয়ার কাজ। আবার এই আয়ের পথে আরেকদল পথযাত্রীও আছেন যাদের মূলত অনলাইন মার্কেটার বলা চলে। তারা এই মাধ্যমকে প্রফেশনালি ক্যারিয়ার হিসেবেই নিয়েছেন বা নিচ্ছেন এবং এই মাধ্যমে কাজের ব্যাপারে তারা যথেষ্ট সিরিয়াস। এর মধ্যে অনেকেই একদম নতুন পর্যায় থেকে কাজ শুরু করে অল্পদিনের মধ্যেই বড় সফলতার মুখ দেখছেন।
উদাহরনস্বরূপ, নিচে একটি চ্যানেলের পরিচিতি দেওয়া হল। ZafiDigital থেকে Video Marketing Advanced Course করেন এবং এরপর প্রায় ৫ মাসের চেষ্টায় এই চ্যানেলটি দাড় করাতে সক্ষম হন। প্রথম দিকে কাজ করতে গিয়ে তার বেশ কয়েকটি চ্যানেল সাসপেন্ড হলেও তিনি থেমে না গিয়ে বারবার নতুন করে শুরু করেন এবং এই চ্যানেলটিকে সফল করেন। বর্তমানে তার চ্যানেলের টোটাল ভিউঃ 14,803,862 ! খুব দ্রুত তার সফলতার গল্প তুলে ধরব সবার সামনে।
সবমিলিয়ে অনলাইনে আয়ের উৎস হিসেবে ইউটিউব এখন অন্যতম আগ্রহের বিষয়। তাই আজকের এই লেখায় মূলত তুলে ধরা হয়েছে, একজন সফল ইউটিউব মার্কেটার হতে হলে আপনাকে কি কি বিষয় খেয়াল রেখে অগ্রসর হতে হবে। আপনি এই লাইনে সম্পূর্ন নতুন কিংবা অনেকদিনের অভিজ্ঞ, যেরকমই হয়ে থাকেন, আশা করছি আজকের এই লেখা থেকে আপনার ইউটিউব ক্যারিয়ারকে আরো সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিষ্কার কিছু গাইডলাইন পাবেন। তাহলে শুরু করা যাক।
০১. ইউটিউব একাউন্ট খোলার আগেই ইউটিউবকে জেনে নিন
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট জগতের অন্যতম কয়েকটি জায়ান্ট প্ল্যাটফর্মের মধ্যে ইউটিউব একটি। পুরো ইন্টারনেট পপুলেশনের এক-তৃতীয়াংশই নিয়মিত ইউটিউব ভিজিট করে। তাহলে বুঝাই যাচ্ছে কি পরিমান জনপ্রিয়তা রয়েছে অনলাইনে ভিডিও শেয়ারিং করার এই মাধ্যমটির। আর এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে একটি ক্যারিয়ার গড়তেই সবাই মূলত তাড়াহুড়ো করে ইউটিউবে এসেই ভিডিও আপলোড করা শুরু করে দেয়, যা নতুন মার্কেটারদের অন্যতম বড় ভুল।
আপনি যদি ইউটিউবে নতুন হয়ে থাকেন কিংবা এখানে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করার পরিকল্পনা করছেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রথমে ইউটিউব এবং এর বিভিন্ন গাইডলাইন সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞান থাকতে হবে। ইউটিউবকে ভালভাবে না জেনে আপনি কখনোই এই বিশাল জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মটির সুবিধাগুলো নিতে পারবেননা। বিশেষ করে ইউটিউবে আপনার চ্যানেলটিকে টিকিয়ে রাখতে হলে আপনাকে ইউটিউবের শুধু নিয়ম-কানুন মেনে চললেই হবেনা, আপনাকে একজন Value Providing User হতে হবে। তার মানে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার কাজের মধ্য দিয়ে সবসময় ইউটিউবের ভিজিটররা ভ্যালু পায়। এই ব্যাপারটি খুবই গুরত্বপূর্ন।
০২. সাক্সেসের পথ একটাই, অনেকগুলো না
ইউটিউব আর্নিং-এ যারা নতুন তাদের আরেকটি বড় ভুল হল তারা শুধু ভাল টিউটোরিয়াল বা মেথড খুজতে থাকে। আসলে এটা একরকম রোগ। বাস্তবে ইউটিউব থেকে আর্ন করার বা সফল হওয়ার অনেকরকম স্ট্র্যাটেজী বা মেথড রয়েছে, তবে বেস্ট মেথড বলে কিছু নেই। যারা নতুন কাজ শুরু করছেন তাদের উচিত হবে যেকোন একটি ভাল (এবং সময়ের সাথে আপডেটেড) গাইডলাইন অনুসরন করা। একটি স্ট্র্যাটেজীতে কাজ করতে করতে আরেকটি টিউটোরিয়াল বা কোর্স দেখে সেই মেথডে জাম্প করা যাবেনা। মনে রাখবেন, যখনই আপনি জাম্প করবেন ঠিক তখন থেকেই আপনার সফলতার গল্প ওখানেই থেমে থাকবে, যতক্ষন পর্যন্ত না আপনি আবার আপনার লাইনে ফিরে না আসেন। সুতরাং যেকোন একটি ভাল সোর্স থেকে ভালভাবে কাজ শিখে সেটা নিয়ে লেগে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনি সফল হচ্ছেন। সঠিক উপায়ে কাজ জানলে যেকোন স্ট্র্যাটেজীতেই ইউটিউব থেকে সফল হওয়া সম্ভব।
০৩. কোন নিশে কাজ করলে সাক্সেসফুল হতে পারি?
দীর্ঘদিন Bangladesh Video Marketers ফেসবুক গ্রুপটির অ্যাডমিন হওয়ার সুবাধে প্রায়শই আমাদের কাছে যেই প্রশ্নগুলো আসে, তার মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন হল, “ভাইয়া, একটা নিশ বলে দেন যেটাতে কাজ করলে সফলতা আসবে”। যেকোন অভিজ্ঞ মার্কেটার এই প্রশ্নটি শুনলেই বুঝতে পারেন যে প্রশ্নকর্তা সম্পূর্ন ভুল মাইন্ডসেট নিয়ে ইউটিউব যাত্রা শুরু করেছেন। আসলে সাক্সেসফুল নিশ বলে কিছু নেই, আপনার কাজের মান এবং আপনার Creativity নির্ধারন করে দিবে আপনি সফল হতে পারবেন কিনা। আর নিশ সিলেকশনের ক্ষেত্রে ইউটিউব নিয়ে অবশ্যই রিসার্চ করতে হবে। ইউটিউবে এমন প্রচুর বিষয় আছে যা নিয়ে ভিডিও বানানো যায়, এবং সেগুলোর প্রতি ভিজিটরদের আগ্রহের সীমা নেই।
আবার আপনি যদি সামগ্রিক বিশ্বের ট্রেন্ড নিয়ে নিয়মিত আপডেটেড থাকেন, তাহলে সম্পূর্ন নতুন কোন বিষয়কেও আপনি ইউটিউবের অডিয়েন্সের সামনে তুলে ধরে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবেন। সুতরাং ইউটিউবের কাজের শুরুতেই আপনার মাইন্ডসেট একদম সঠিক দিকে ধাবিত করতেই হবে, কারন গতানুগতিক ভাবে আমরা অনেক রকম ভুল চিন্তা নিয়ে ইউটিউব মার্কেটিং শুরু করি, যা পরবর্তীতে আমাদের সফলতাকে বিঘ্নিত করে। একারনেই আমার ভিডিও মার্কেটিং কোর্সের প্রথম ক্লাসটা সম্পূর্নভাবে কোর্সে অংশগ্রহনকারীদের মাইন্ডসেট তৈরীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সুতরাং আপনি কাজের যেই পর্যায়েই থাকেন না কেন, আজই আপনার মাইন্ডসেট ঠিক করে নিন।
০৪. ভালভাবে চ্যানেল সাজানো খুব জরুরী
একথা আপনারাও অনেকবার শুনে থাকবেন, তারপরও এটা বলতেই হবে যে আপনার চ্যানেল আপনার ইউটিউব মার্কেটিং বিজনেসের শিকড়। শিকড় দূর্বল হলে পুরো গাছ নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে। আপনার চ্যানেলকে সঠিকভাবে ব্র্যান্ডিং করুন। লোগো তৈরী থেকে শুরু করে চ্যানেলে কিধরনের ভিডিও আপলোড করবেন সেটার প্ল্যানিং পর্যন্ত প্রতিটা স্টেপ আপনার ব্র্যান্ডিং-র অংশ। এমনকি আপনি কিভাবে প্রতি ভিডিওর শেষ কিংবা শুরুতে ভিউয়ারদের সাবস্ক্রাইব করতে বলছেন, সেটাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্যটা হল যে নতুন ইউটিউব মার্কেটাররা এই বিষয়টিকে সম্পূর্নভাবে এড়িয়ে যায়, এবং পরবর্তীতে দীর্ঘদিন কাজ করেও সফলতা না পেয়ে হতাশায় পড়ে যায়।

০৫. রিসার্চ করতে না জানলে আজই ইউটিউব মার্কেটিং ছেড়ে দিন
জী, বর্তমান সময়ে ইউটিউব মার্কেটারদের প্রধান স্কিল হওয়া উচিত ভাল রিসার্চ করতে জানা। অথচ সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে নতুন মার্কেটাররা বিভিন্ন রকম শর্টকাট ট্রিকসের পিছনে ছুটে সময় নষ্ট করে। প্রায় সকলেই ইউটিউবের SEO Factors নিয়ে সার্চ করেন কিন্তু সেই ফ্যাক্টরগুলোর সাথে রিসার্চের সম্পর্ক কতটা জড়িয়ে আছে সেটা উপলব্ধি করতে পারেননা। আমার কোর্সের ২য় ক্লাসেই আমি শিখাই কিভাবে ইউটিউবের ভিতর থেকে রিসার্চ করে ইউটিউবের SEO Factors-গুলো খুজে বের করা যায়।
অর্থাৎ আমি গৎবাঁধাভাবে SEO Factors List ধরিয়ে দেইনা, বরং এই ফ্যাক্টরসগুলো কোথায় কিভাবে কাজ করছে এবং ইউটিউব কেন এগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে সেটা রিসার্চ করে বের করা শিখিয়ে দেই। আমার কাছে মনে হয় এইভাবে চিন্তা করা শিখলে তা সত্যিকার অর্থে ইউটিউব মার্কেটারদের ভাল রিসার্চার হিসেবে গড়ে তুলবে।
সুতরাং আপনারা যারা নতুন কাজ শুরু করতে চাচ্ছেন তারাও আজ থেকে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করা শুরু করুন। ইউটিউবের ভিতরেই সব রকম রহস্য লুকিয়ে আছে, আপনার কাজ হল রিসার্চ করে সেগুলো খুজে বের করা। কারো রেডিমেড বানিয়ে দেওয়া লিস্ট দিয়ে আপনার উপকার হবেনা। Research More On YouTube
০৬. বিভিন্ন ট্রিক্সের পিছনে না ছুটে ভিডিও মেকিং ভাল করার পিছনে সময় দিন
নতুন মার্কেটারদের ২য় প্রধান স্কিল হওয়া উচিত ভিডিও মেকিং-এ পারদর্শী হওয়া। গত এক বছরে ইউটিউব তাদের প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এবং এই সকল পরিবর্তনের মূলে রয়েছে ইউটিউবে প্রতিনিয়ত আপলোড হওয়া ভিডিওসমূহের কোয়ালিটির উন্নতি সাধন। অর্থাৎ ইউটিউব চাচ্ছে তার কনটেন্ট ক্রিয়েটররা যেন আরো বেশি ভাল কনটেন্ট/ভিডিও তৈরীতে আগ্রহী হয়। আর ভাল ভিডিওর শুরু হয় একটি ভাল আইডিয়া দিয়ে, কিন্তু সেটার Execution হয় ভাল মেকিং দিয়ে।
তার মানে আপনার আইডিয়া যতই ভাল হোক, আপনার ভিডিও মেকিং কোয়ালিটি ভাল না হলে ভিউয়াররা খুব দ্রুত অন্য ভিডিওতে চলে যাবে এবং ইউটিউব সেই বিষয়টিকে খেয়াল করে আপনার ভিডিও সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংকে নামিয়ে দিবে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে ইউটিউব মার্কেটিং শিখার যত সোর্স আছে, তার প্রায় অধিকাংশই ভাল ভিডিও মেকিং নিয়ে কথা বলেনা। এছাড়া নতুনরাও সাধারনত মনে করে থাকে যে একটি ভাল সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করলেই ভাল ভিডিও তৈরী হবে। কিন্তু বাস্তবে একটি সফটওয়্যার তখনই আপনার জন্য আশির্বাদস্বরুপ কাজ করবে যখন আপনি সঠিক আইডিয়া নিয়ে একটি ভিডিওর প্রতিটি দৃশ্য আগে থেকে প্ল্যান করবেন। সুযোগ পেলে এই ব্যাপারে আরো পরিষ্কার করে নতুন কিছু লিখব।
০৭. Thumbnail হল আপনার সেলসম্যান
আপনার ভিডিওতে রেগুলার ভাল ভিউ পেতে হলে আপনার থাম্বনেইল ভাল হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমরা অনেকেই মনে করে থাকি যে আমার ভিডিওর সাথে সম্পর্কিত ভাল কোন ইমেজ গুগল থেকে খুজে নিয়ে থাম্বনেইল করে দিলেই বোধহয় কাজ হবে। কিন্তু এখানেও রয়েছে রিসার্চের খেলা। যেন তেন ইমেজ বানিয়ে দিলেই কাজ হবেনা, বরং আপনাকে অবশ্যই আপনার নিশের অন্যান্য ভিডিও রিসার্চ করে বের করতে হবে আপনার থাম্বনেইলে কি কি উপাদান থাকলে সেটা সফল হতে পারে। এই পয়েন্টের টাইটেলেই বলেছি, থাম্বনেইল হল আপনার সেলসম্যান, তার মানে এটি একটি প্রতিযোগীতাপূর্ন কাজ। একই বিষয়ে একাধিক ভিডিও আছে ইউটিউবে, তাহলে একজন ভিউয়ার অন্যদের ভিডিও বাদ দিয়ে আপনারটা কেন দেখবে ? এর উত্তর হল আপনার থাম্বনেইল অন্যদের থাম্বনেইলকে হারিয়ে ভিউয়ারের দৃষ্টি আকর্ষন করে নিবে। সুতরাং এখানে মার্কেটিং এবং গ্রাফিক্স – ২টা বিষয়ের সঠিক মিশ্রন করাতে হবে।
০৮. এত কিছু শিখে কি করব? পেইড বুস্টিং করলেই তো হয়
ভিডিও আপলোড দেওয়ার পর সেটায় পেইড ভিউ বা এ্যাড দিয়ে ভিউ নেওয়ার প্রচলন অনেকদিনের। যদিও আমাদের দেশে এই প্রচলন ঘটেছে অল্প কিছুদিন হল। এই কারনেই নতুন ইউটিউবারদের মধ্যে একটা বড় ভুল ধারনা থেকে যাচ্ছে, আর তা হল যে পেইড ভিউ নিয়ে বুস্ট করলেই হয়ত সেই ভিডিও সফলভাবে রেগুলার ভিউ আনা শুরু করে দেয়। এটি আসলেই এত বড় ভুল ধারনা যে অনেকেই এই ব্যাপারে টাকা খরচ করে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং পরে কোন না কোন অভিযোগ উঠিয়ে কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।
আসলে বাস্তবতা হল, পেইড ভিউ কিংবা পেইড এ্যাড আপনার ভিডিওর জন্য তখনই কার্যকরী হবে যখন আপনি উপরের বাকি বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে করতে সক্ষম হবেন। এই কথাটিকে মেনে নিয়েই এখন থেকে আপনাকে আপনার কাজের কোয়ালিটিতে মনোযোগী হতে হবে। অন্য কোন বিকল্প খোজা মানে আপনার লম্বা সময় নষ্ট করা।
এই বিষয়গুলো বাদেও আরো বেশ কিছু ব্যাপার রয়েছে যেগুলো নিয়ে আপনার কাজ করতে হবে। তবে উপরের জিনিসিগুলো হল প্রধান, যেগুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে পারলে আপনি ইউটিউবে সফলতার মুখ দেখবেন আশা করা যায়। সর্বোপরি আপনার পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত রিসার্চ আপনাকে এই সেক্টরে সফল করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।

Tuesday, September 11, 2018

September 11, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি কার্যকরী Tips

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর ২০টি কার্যকরী Tips

আমরা সবাই ই এখন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করি কিন্তু এই অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ । এই কারনেই আমরা অনেকেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সাথে নরমাল ফোন ব্যবহার করি কিন্তু আজকে আপনাদের জন্য আমি কিছু টিপস নিয়ে আসলাম যাহ ফলো করলে আপনার ফোন এর ব্যাটারি লাইফ ৩০% পর্যন্ত বাড়বে গ্যারান্টি দিলাম ।
এই টিপসগুলো ফলোও করার পর আমার স্মার্টফোন এর ব্যাটারি লাইফ ৩-৪ ঘণ্টা বেরে গেছে ।

১) নতুন মোবাইল কিনে কম পক্ষে ৮-১০ ঘন্টা চার্জ দিন।
২) খুব বেশী দরকার না হলে ভাইব্রেশন ব্যবহার করবেন না। ভাইব্রেশনের কারণে দ্রুত চার্জ ফুরায়।
৩) মাসে একবার ব্যাটারীর সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হয়ে গেলে চার্জ দিন।
৪) চার্য দেওয়ার সময় Airplane mode চালু করে রাখুন।তাড়াতাড়ি চার্য হবে
৫) মোবাইলের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন।বেশী আলো আপনার চোখের সমস্যও করতে পারে!
৬) আমি মাসে একবার factory data reset দিই।আবার নতুন ভাবে সাজাই। এতে ভাইরাস বা ম্যালওয়ার দূর হয়ে যায় এবং মোবাইল ব্যাটারি দুটোই সুস্থ থাকে। আপনারা যারা অতিরিক্ত স্মার্টফোন ইউজার তারা প্রতি সাপ্তাহে একবার রিসেট দিতে পারেন।
৭) সব সময় সেটের অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন।
৮) যাদের গেমস খেলা বা মুভি দেখার সময় বাইরে থেকে কল আসার সম্ভাবনা কম তারা Airplane mode চালু করে গেম খেলুন বা মুভি দেখুন।
৯) অকারণে ব্লু-টুথ,ইন্টারনেট,ওয়াইফাই অন করে রাখবেন না।
১০) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বারবার সার্চ করলেও বেশি ব্যাটারি ক্ষয়। সুতরাং এটি থেকে বিরত থাকুন।
১১) ঠাণ্ডা স্থানে মোবাইল ফোন রাখুন। অর্থাৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায়। বেশি গরম স্থানে মোবাইল ফোন রাখবে না। আমি একটা আইপিএস-এর ওপর ব্যাটারি রেখেছিলাম। পরে আমার ফোনের ১৩টা বাজছে।
১২) চার্জ থেকে খুলার জন্য আগে সকেট থেকে চার্জার খুলবেন তারপর মোবাইলের কেব্‌ল খুলবেন ।
১৩) চার্জের সময় মোবাইল অফ রাখা ভাল ( বিশেষ করে নতুন মোবাইলের জন্য ) ।
১৪) ব্যাটারির আয়ু ১৫-৩০% থাকলে চার্জ দিবেন এর আগেও না পরেও না । Android-Jelly-Bean-Improves-the-Battery-Life-Screenshot
১৫) লম্বা সময় ধরে চার্জার লাগিয়ে রাখবেন না । আমারা অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় চার্জে দিয়ে ঘুমাই, এতে করে ফুল চার্জ হওয়ার পরও অনেক্ষন চার্জার কানেক্ট থাকে । এ অভ্যাস ত্যাগ করুন, না হলে ব্যাটারীর ক্ষতি হবে ।
১৬) WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন মোবাইল নেট কানেকশন থেকে বেশী ব্যাটারি ব্যবহার হয় যদিও WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন অনেক যায়গায় সহজে ও বিনা পয়সায় ব্যবহার করা যায়। তাই নেহাত প্রয়োজন না হলে WiFi, Location Services, Bluetooth, কানেকশন বন্ধ করে রাখুন তাতে আপনার ব্যটারির লাইভ সেইভ হবে।
১৭) Wall paper যদি animated বা motion ওরিয়েন্টেড হয় তাহলে তা ডিজেবল করে রাখুন।
১৮) বিভিন্ন ব্যাটারি সাপোর্টেড ইউটিলিটি সফটওয়্যার ফ্রি পাওয়া যায় তা ব্যবহার করতে পারেন।
১৯) ডেইলি মেইলে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যায়, বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০% পর্যন্ত চার্জ করা ঠিক নয়! বরং এর চার্জ সব সময় ৪০-৫০% এর উপরে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ সবসময় ৪০-৮০ শতাংশের মধ্যে রাখলে সেটাই তার পারফর্মেন্সের জন্য সর্বোত্তম হবে। এমনকি ওয়্যারলেস চার্জিং এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেয়া আছে এতে।
২০) লাইভ ওয়ালপেপার বা ভিবিন্ন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার ইনস্টল থেকে বিরত থাকুন।মনে রাখবেন যত কম সফটওয়ার ইনস্টল থাকবে মোবাইল তত বেশী দ্রুততর হবে এবং ব্যাটারি কম খরছ হবে।
সর্বশেষ একটাই সমাধান সেটা হল পাওয়ার ব্যাংক!
September 11, 2018

১০ উপায়ে বাড়িয়ে নিন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব 

১০ উপায়ে বাড়িয়ে নিন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ এবং সাবস্ক্রাইব 

আপনার এবং আপনার চ্যানেলের পরিচিতি প্রদান করে একটা মনোমুগ্ধকর চ্যানেল ট্রেইলার তৈরি করুন যা কেউ আপনার চ্যানেলের হোমে আসলে অটো-প্লে হবে। আপনার ভিডিও নিসে আপনাকে অথোরিটি দিতে এটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

ভিডিও এর শেষে একটা বড় এনোটেশনে শক্ত কল-টু-একশন প্রদান করুন।

 ট্রেন্ডিং ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করার পাশাপাশি কিছু ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করুন যেগুলো কখনো পুরনো হবে না। ট্রেন্ডিং ভিডিও দ্রুত কিছু কিছু ভিউ পাওয়ার জন্য কাজ করে, কিন্তু আপনার চ্যানেলকে স্মরণযোগ্যও রাখতে হবে। এতে আপনার চ্যানেলের আয় হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোন চান্স নেই। আর এটা গুগল রেঙ্কিংয়েও সহায়তা করে।

 আপনার ব্লগেও সাবস্ক্রাইভ বাটন দিন। সেটা এম্বেডেড ভিডিও এর পাশে হলে আরও ভালো হয়।

 কিছু ক্ষেত্রে মানুষ শুধুমাত্র লং-টেইল কীওয়ার্ড দিয়েই সার্চ করে থাকে। তাই এধরনের কিছু নিয়ে ভিডিও বানালে লং-টেইল ডেসক্রিপশন ব্যাবহার করবেন। এতে এমন কিছু ভিউ পাবেন যারা এই ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহী।

আপনার সাইটে বা ব্লগে একটা ইউটিউব উইজেড ব্যাবহার করতে পারেন। Tintএধরনের কাজের জন্য অনেক ভালো একটা টুল।

 আপনার ভিউয়ারদের লাইক করতে বলুন। কারন ভিডিওতে লাইক ইউটিউবকে ইনফর্ম করে যে আপনার ভিডিও পপুলার, তখন ইউটিউব সার্চ এ এটি প্রাধন্য পায়।

আপনার ভিডিওতে দেওয়া কমেন্ট সবসময় চেক করুন এবং উত্তর দিন। এতে যেমন আপনার ভিউয়ার সাবস্ক্রাইবাররা বুজবে আপনি তাদের প্রতি আন্তরিক তেমনি ইউটিউব ও বুজবে যে আপনি আপনার ভিউয়ারদের প্রাধন্য দেন।

অন্য ইউটিউবার এর সাথে কাজ করে দুজনেই দুজনের চ্যানেল প্রমোট করুন। আবার দুইজন একসাথে কিছু কো-ব্রেন্ডেড ভিডিও তৈরি করুন।

Creator Dashbaord এবং Analytics থেকে সবচেয়ে একটিভ ফানজ খুজে বের করুন এবং তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করুন। এবং তাদেরকে তাদের কমিনিটিতে ভিডিও শেয়ার করতে বলুন।
September 11, 2018

ইউটিউব সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

ইউটিউব সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর




প্রথম প্রশ্ন : কি করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলব?
উত্তর : খুব সহজ, একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরী করুন। নিজের সঠিক নাম, বয়স এবং ফোন নম্বর দিয়ে। এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগ ইন করুন। সেখানে ‘Create Channel’ পাবেন। তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরী করুন। একটা ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করুন। এবং আপনার নিজের ক্যামেরায় তৈরী যে কোনো ফুটেজ আপলোড করুন। ব্যস, আপনার ৫০ শতাংশ কাজ রেডি।
দ্বিতীয় প্রশ্ন : আমি ভিডিও আপলোড করেছি কিন্তু টাকা আসছে না।
উত্তর : টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে আপনার ভিডিওটি ‘Monetized’ করতে হবে। ইউটিউবের Video Manager-এ ক্লিক করুন, বা-দিকে একটা লিস্ট আসবে সেখানে Channel-e ক্লিক করুন, সেখানে আপনি Monetization পাবেন। এখান থেকে আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাকটিভ করতে হবে। (অ্যাকটিভ করার উপায়টি লিখে সঠিক বোঝানো সম্ভব নয়, নিজে থেকে চেষ্টা করুন এবং স্টেপগুলি ফলো করুন)।
তৃতীয় প্রশ্ন : আমি কি যেকোনো ভিডিও আপলোড করতে পারি?
উত্তর : আপনি আপলোড করতে পারবেন সব ভিডিও কিন্তু সব ভিডিও থেকে পয়সা উপার্জন করতে পারবেন না। আপনি অন্য কোনো সিনেমা বা টিভির থেকে নেওয়া ভিডিও বা অডিও , এমনকি আপনার ভিডিওর মধ্যেও যদি অন্য কারো ভিডিও বা অডিও থাকে তাহলে সেটাও মনেটাইজ হবে না, ইচ্ছে করলে ইউটিউব আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করে দিতে পারে এবং আর আপনি কখনই আপনার নিজের নামে ভবিষ্যতে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না।
চতুর্থ প্রশ্ন : পাড়ার ফাংশানে একজন গায়ক গান গেয়েছে আমি তার ভিডিও নিয়েছি, সেটা কি আমি আপলোড করতে পারি?
উত্তর : এক্ষেত্রে ভিডিওটি আপনার নিজের কিন্তু যেহেতু অডিওটি অন্য কারো তাই আপনি সেটি থেকে উপার্জন করতে পারবেন না। জেনে রাখুন, অন্য কারো গান আপনি নিজে গেয়েছেন সেটাও কিন্তু ইউটিউব গ্রহণ করবে না।

ষষ্ঠ প্রশ্ন : কত টাকা উপার্জন সম্ভব?
উত্তর : এরও কোনো সঠিক উত্তর নেই। ইউটিউব থেকে টাকা আয়ের মূল উৎস হচ্ছে ভিউ। যে ভিডিও যত বেশী ভিউ হবে সে ভিডিও তত বেশী অর্থ উপার্জন করবে। তবে মোটামুটি ভাবে প্রতি হাজার মনেটাইজ ভিউতে ১ থেকে ৫ ডলার অবধি আয় সম্ভব।
সপ্তম প্রশ্ন : মনেটাইজ ভিউ কি ?
উত্তর : ধরা যাক আপনার ভিডিওটে যে অ্যাড আসে, সেটা ১ মিনিট-এর মাথায়। এবার আপনার ভিডিওটি ৫০০০ ভিউ হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার জন হয়ত আপনার ভিডিও ১ মিনিটের কম দেখেছে। তাহলে ৫ হাজার ভিউ স্বত্তেও আপনার মনেটাইজ ভিউ হবে মাত্র ২ হাজার। মনেটাইজ ভিউ কত হয়েছে সেটা একমাত্র যার অ্যাকাউন্ট সেই দেখতে পারবে ‘Analytics’-এ ক্লিক করে।
অষ্টম প্রশ্ন : কবে থেকে টাকা আয় সম্ভব?
উত্তর : আপনার অ্যাডসেন্স অ্যাপ্লিকেশান অ্যাপ্রুভড হতে দুই থেকে তিন দিন লাগে। একবার অ্যাপ্রুভড হয়ে গেলেই আপনার আয় শুরু।
নবম প্রশ্ন : টাকা কবে থেকে পাব?
উত্তর : আপনার ইনকাম লেভেল যতদিন না ১০০ ডলার হচ্ছে ততদিন আপনি টাকা পাবেন না। ১০০ ডলার হলে আপনার বাড়িতে গুগল থেকে একটি চিঠি আসবে তাতে একটি কোড নম্বর থাকবে সেই কোড নম্বর দিয়ে আপনাকে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস দিতে হবে অর্থাৎ ব্যাঙ্ক নেম, অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নেম, সুইফট কোড ইত্যাদি। আপনার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট-এ আপনার নাম এবং ঠিকানা আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টের নামের সাথে মিল থাকতে হবে, নইলে এই টাকা আপনি পাবেন না। তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যেই নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে এবং সেখানে যে অ্যাড্রেস দেওয়া আছে সেটাই ব্যবহার করবেন।
দশম প্রশ্ন : কত তাড়াতাড়ি টাকা আসবে?
উত্তর : ইউটিউব মূলত একটা মাধ্যম যেখানে মানুষ নিজেদের ভিডিও শেয়ার করে। এই সাইটের প্রাথমিক লক্ষ টাকা উপার্জন নয়। তাই টাকা উপার্জন করব ভেবে যদি আপনি ইউটিউব চ্যানেল খোলেন তাহলে আপনি নিরাশ হবেন। ইউটিউব থেকে টাকা পেতে আপনাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। হতে পারে আপনার প্রথম টাকা পেতে পেতে এক বছর বা তার-ও বেশি লেগে গেল কিন্তু একবার টাকা আসা শুরু করলে এবং আপনার ভিডিও প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার ভিউ দিতে পারলে বিশ্বাস করুন আপনাকে আর কোনো চাকরী করতে হবে না।
শেষ প্রশ্ন : সকলেই কি টাকা আয় করতে পারে?
উত্তর : আঠারো বছরের যে কেউ তার নিজের মৌলিক ভিডিও দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারে। কিন্তু কার ভিডিও কত জনপ্রিয় হবে সেটা নির্ভর করছে কিছুটা আপনার দক্ষতা এবং আপনার ভাগ্যের উপর। প্রচুর মানুষ যারা নিজের পোষা বিড়ালের ছবি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয় করছে আবার অনেকে আছে যারা পয়সা খরচ করে নিজেরা নানা রকম ভিডিও বানিয়েও এক ডলার আয় করতে পারছে না। তাই সঠিক ভাবে যদি আপনি আপনার ইউটিউব অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করতে পারেন তাহলে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা অসম্ভব নয়।
September 11, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমান

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমান

আমাদের দেশের সিম কোম্পানিগুলোর প্রতি অনেকেরই যে অভিযোগটি রয়েছে, তা হল এই কোম্পানিগুলো টাকার বিনিময়ে পর্যাপ্ত ডাটা দেয়না। আর অনেক চেষ্টার পরেও এর কোন প্রকার সমাধান হয়নি। ডাটা প্যাকেজ এর দিক দিয়ে আমরা এদের কাছে সব সময় অসহায়। কারণ আনলিমিটেড ডাটা প্ল্যান ইউজ করা আমাদের অনেকের পক্ষে সম্ভব না। তাই স্মার্টফোন কেনার পর আমাদের অনেক ভেবে চিনতে ডাটা ইউজ করতে হয়। আর এক্ষেত্রে ডাটা সেভ করার জন্য নিচের টিপস গুলো আমাদের সবার কাজে লাগবে। তো চলুন দেখি কিভাবে আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ডাটা খরচ কমাবেন… 

অটো আপডেট বন্ধ করাঃ

সাধারণত আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করা অ্যাপ গুলো নেট কানেকশন পেলে প্লে স্টোর থেকে আপডেট ডাউনলোড করে থাকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এই আপডেট আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। কারণ অ্যাপ গুলো আপডেট হওয়ার সময় আপনার ডিভাইসটি তুলনামূলক ভাবে স্লো হয়ে যায়। এছাড়া আপডেটের কারণে আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপনার স্মার্টফোনের ডাটা প্যাকেজের ডাটাও খরচ হতে থাকে। তো চলুন দেখি কিভাবে অটো আপডেট বন্ধ করবেন।

১) প্রথমে আপনার ডিভাইসে Play Store অ্যাপটি ওপেন করুন। এরপর আপনার ডিভাইসের মেনু বাটন বা ডিভাইসের 3 Dot মেনুতে ক্লিক করুন।
২) এবার আপনি যে মেনু পাবেন সেখান থেকে প্লে স্টোর সেটিং অপশনে ক্লিক করুন। এবার সেটিংস মেনু থেকে ‘Auto-update apps’ অপশন সিলেক্ট করুন।
৩) ‘Auto-update apps’ অপশনে ক্লিক করার পর আপনি নিচের তিনটি অপশন সহ একটি পপ আপ পাবেন…
Do not auto-update apps
- Auto-update apps at any time. Data Charges may apply and
- Auto-update apps over Wifi only
৪) এই তিনটি অপশন থেকে প্রথম অপশনটি সিলেক্ট করে দিন।

অ্যাপ ডাটা সেটিং:

অনেক সময় আমাদের ডিভাইস গুলোতে এমন কিছু অ্যাপ থাকে যা নিজে নিজেই নিয়মিত আপডেট হয়। যেমন ধরুন Google+। সাধারণত Google+ আপনার ডিভাইসে থাকা ছবি গুলো ক্লাউডে ব্যাকআপ করে থাকে, যাতে যেকোন সময় আপনি আপনার ইচ্ছা মত ছবি গুলো দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে ছবিগুলো যদি বড় মাপের তাহলে তো কথাই নেই, আপনার ডাটা প্ল্যানের বারোটা বাজতে খুব একটা সময় লাগবে না। এক্ষেত্রে আপনি যা করতে পারেন তা হল এই ধরণের অ্যাপগুলোর Settings > Auto-Backup যেয়ে আপনার মিডিয়া ফাইল গুলোর জন্য ব্যাকআপ অপশন সিলেক্ট করে দিতে পারেন।

Restrict background Data

এবার আসি এমন কিছু অ্যাপের কথায় যারা ঘুমানোর সময় ও খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে না। অর্থাৎ যে অ্যাপ গুলো ইনঅ্যাক্টিভ অবস্থায় ও ডাটা ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত জিপিএস ডাটার উপর ভিত্তি করে অ্যাপ গুলো অটো আপডেট হয় বলেই এমনটি হয়ে থাকে। ICS এবং JellyBean ডিভাইস গুলোতে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আপনি ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা অফ করে রাখতে পারেন। আর এই কাজটি করার জন্য আপনি আপনার ডিভাইসের সেটিংস্‌ মেনু থেকে Data Usage এ যেয়ে মেনু থেকে Restrict background data অপশনটি মার্ক করে দিলেই হবে।

Reduce your syncing

আমরা অনেকেই আমাদের হোম স্ক্রীনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য নানা রকম উইজেট ব্যবহার করে থাকি,বিশেষ করে ওয়েদার উইজেট। এই উইজেট গুলো প্রতিনিয়ত আপডেট হয় আপনাকে সর্বশেষ আপডেটেড ইনফর্মেশনটি দেয়ার জন্য। accounts sync হওয়ার কারণেও ডাটা খরচ হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজন না থাকলে আপনি এই Sync অফফ করে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে Settings > Data Usage > Menu > তে যেয়ে Auto-sync data অপশনটি আনচেক করে দিলেই হবে।

September 11, 2018

ডিলিট হওয়া মেসেজ ও ফাইল গুলো ফিরে পাওয়ার উপায়

ডিলিট হওয়া মেসেজ ও ফাইল গুলো ফিরে পাওয়ার উপায়

ফোনের ডিলিট হওয়া মেসেজ ও ফাইল গুলো ফিরে পাওয়ার উপায়

আপনি যদি ভুল করে কোন জরুরি মেসেজ, ছবি, ভিডিও ডিলিট করে ফেলেছেন মোবাইল থেকে। এই ভুলের জন্য নিজেকে মনে মনে অনেক বকা-ঝকা করে থাকেন। আর চিন্তা করতে থাকেন যে কীভাবে এগুলো আবার ফিরিয়ে আনা যায়। সে জন্য হয়তো আপনার রাতের ঘুমও হারাম হয়ে যাচ্ছে! এবার আর কোনো চিন্তা নেই খুব সহজেই ডিলিট করা ফাইল ফিরিয়ে আনা যাবে!
জেনে নিন কিভাবে করবেন-
যদি আপনার মোবাইলের সমস্ত মেসেজ ভুলবসত মুছে যায় যা ছিল আপনার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। তাহলে আপনার দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

১। KING ROOT দিয়ে রুট করে নিন। প্রথম বার root করতে ব্যর্থ হলে আবার চেষ্টা করুন হয়ে যাবে।
২। GT Recovery সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
৩। ROOT ACCESS চাইলে ACCEPT করুন।
৪। READ SMS এ ক্লিক করুন।
৫। Start new scan এ ক্লিক করুন।
৬। Call log,photo,contact,whats app,messenger ও অন্যান্য ফাইল রিকভার করতে পারবেন।

ফোনের ডিলিট হওয়া মেসেজ ও ফাইল গুলো ফিরে পাওয়ার দ্বিতীয় উপায়

ভুলে কিংবা ইচ্ছে করে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কোনো মেসেজ ডিলিট করে ফেললেও তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তবে কাজটি করতে হবে ডিলিট করার পরপরই। কারণ ডিলিট করা মেসেজ গুলো যে মেমোরি টুকু দখল করে রেখেছিল সে স্থানটা অন্য কোনো ডাটা দখল করে নিলে ডিলিট করা মেসেজ ফিরিয়ে আনা আর সম্ভব হবে না।
ডিলিট করা মেসেজ গুলো ফিরিয়ে আনার অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। এসব অ্যাপের কার্যক্রম প্রায় একই রকম। এক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় তিনিট সফটওয়্যার হলো।

- Coolmuster Android SMS+Contacts Recovery
- Wondershare Dr. Fone for Android (শুধু রুট সুবিধা থাকা ফোনের জন্য)
- Android Data Recovery

যেভাবে ডিলিট হওয়া মেসেজ ফেরত আনবেন

প্রক্রিয়াটা প্রায় সবগুলো সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে একই রকম। আমরা এক্ষেত্রে Wondershare Dr. Fone for Android এর পদ্ধতিটি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো:

১. উপরের তিনটি সফটওয়্যারের যে কোনো একটি ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
২. এরপর ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে আপনার ফোনটিকে কানেক্ট করতে হবে।
৩. এক্ষেত্রে আনপার ফোনে অবশ্যই ইউএসবি ডিবাগিং মুড অ্যাক্টিভ করা থাকতে হবে। এজন্য নিচের ছবি অনুসরণ করতে পারেন।
৪. পিসির সঙ্গে ফোন কানেক্ট হলে পরের ধাপগুলোতে স্টার্ট আর নেক্সট করে যেতে হবে।
৫. চার নম্বর ধাপের কাজ শেষ হলে আপনার ফোনের ডিলিট হওয়া মেসেজসহ সব মেসেজ দেখাবে। সেই তালিকা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় মেসেজগুলো ফেরত আনতে পারবেন। তবে মাথায় রাখতে হবে কাজটা খুব দ্রুত করতে হবে। কারণ ডিলিট হওয়া মেসেজের জায়গায় অন্য কোনো মেসেজ সেভ হয়ে গেলে তার ফেরত পাওয়া সম্ভব না।

এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আরো কার্যকর উপায় হলো SMS Backup & Restore নামের অ্যাপসটি ব্যবহার করা। গুগল প্লে থেকে অ্যাপসটি নামিয়ে নিয়ে খুব সহজেই ফোনের মেসেজগুলো ব্যাকআপ রাখতে পারবেন। এজন্য পিসির কোনো দরকার হবে না। ফলে কখনো মেসেজ ডিলিট হলেও আর আপনাকে সমস্যায় পড়তে হবে না।

September 11, 2018

স্মার্টফোনের জন্য কোন microSD কার্ডটি বেছে নিবেন আপনি

স্মার্টফোনের জন্য কোন microSD কার্ডটি বেছে নিবেন আপনি

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কেনার পর সর্বপ্রথম আমাদের যে দিকটা নিয়ে ভাবা উচিত তা হল, স্মার্টফোনটি আমরা ঠিক কিভাবে ব্যবহার করবো এবং কি কি করলে আমরা স্মার্টফোন থেকে সবচেয়ে ভাল সার্ভিস পাব। আর এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মাইক্রো এসডি কার্ড, যেখানে আপনি আপনার স্মার্টফোনের প্রয়োজনীয় সকল ডাটা জমা রাখেন। তো চলুন জেনে নিই SD কার্ড সম্পর্কিত কিছু তথ্য…

SD এর পূর্ণ রুপ হল Secure Digital. Secure digital বা SD হল এক ধরনের মেমোরি কার্ড যা বিভিন্ন পোর্টেবল ডিভাইস যেমন মবিলে,ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহার করা হয়। মেমোরী কার্ডের এই ফরম্যাটটি আবিস্কার করেছিল Panasonic. পরবর্তীতে ২০০০ সালে SanDisk এবং Toshiba Corporation এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত SD Card Association (SDA) এর মাধ্যমে এই ফরম্যাট কে আরো ডেভেলপ করা হয়।
২০০১ সালের দিকে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে যায় এই SD কার্ড, যা ডিজিটাল ক্যামেরা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং গেম কনসোলে ব্যাপক হারে ব্যবহার হয়। এর ছোট আকার এবং স্টোরেজ কোয়ালিটির কারণে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এক্ষেত্রে SD কার্ডের বিভিন্ন মডেল রয়েছে যেগুলোকে ডাটা ট্রান্সফার স্পিডের উপর ভিত্তি করে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, নরমাল স্পিড এবং হাই স্পিড এস ডি কার্ড। হাই স্পিড এস ডি কার গুলো নরমাল স্পিড এস ডি কার্ডের তুলনায় দ্রুত গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করে থাকে। এখন চলুন দেখে আসি micro SD, SDHC এবং SDXC ফরম্যাট গুলোর মধ্যে কোনটি এখনকার স্মার্টফোন গুলোর সাথে কম্প্যাটিবল…

MicroSD cards:

microSD কার্ড হল সবচেয়ে ছোট আকৃতির (15 x 11 x 1 mm) এসডি কার্ড যা সাধারণত স্মার্টফোন এবং পোর্টেবল ডিভাইস গুলোতে ব্যবহার হয়ে থাকে। MicroSD কার্ডের ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 64MB থেকে 2GB হয়ে থাকে। এই স্বল্প ধারণ ক্ষমতার কারণে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে microSD কার্ডের ব্যবহার কমছে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে আমরা অনেকেই ভুলবশত 4GB বা তার বেশি ধারণ ক্ষমতার SD কার্ড গুলোকেও MicroSD কার্ড বলে থাকি। কিন্তু 4GB বা তার বেশি ধারণ ক্ষমতার SD কার্ড গুলো microSD নয় বরং microSDHC বা SDHC কার্ড।

SDHC Card:

SDHC কার্ডের HC এর মানে হল High Capacity. microSD কার্ডের তুলনায় SDHC কার্ডে আপনি বড় আকারের ডাটা বা ফাইল স্টোর করতে পারবেন। SDHC কার্ডের ডাটা ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 4 GB to 64 GB পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত এস ডি কার্ড ফরম্যাট হল microSDHC। কারণ বর্তমান স্মার্টফোন গুলোতে ডাটা স্টোর করার জন্য 2GB বা তার কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন SD কার্ড যথেষ্ট নয়।

SDXC Card:

SDXC কার্ডের XC এর মানে হল Extended Capacity. SDHC কার্ডের তুলনায় SDXC কার্ডে আপনি আরো বড় আকারের ডাটা বা ফাইল স্টোর করতে পারবেন। SDXC কার্ডের ডাটা ধারণ ক্ষমতা সাধারণত 64 GB to 2 TB বা 2000 GB পর্যন্ত হয়ে থাকে।

SD Card Speed:

microSD এবং SDHC কার্ড গুলোর উপরে সাধারণত একটি সংখ্যা বা নাম্বার দেয়া থাকে। যেমন উপরের ছবিতে যে কার্ডটি দেখা যাচ্ছে তার উপরে আমরা 10 দেখতে পাচ্ছি। এই সংখ্যা বা নাম্বার দ্বারা কার্ডের স্পিড ক্লাস বা ডাটা ট্রান্সফার স্পিড নির্দেশ করা হয়। এক্ষেত্রে ক্লাস 10 এর মানে হল ডাটা ট্রান্সফার স্পিড প্রতি সেকেন্ডে 10MB. এই নাম্বার বা সংখ্যা গুলো সাধারণত 2-10 পর্যন্ত বিভিন্ন জোড় সংখ্যা হয়ে থাকে। স্মার্টফোনের জন্য সাধারণত class 6 এর এসডি কার্ড ব্যবহার করাই ভাল। ভিডিও রেকর্ডিং এর ধরন অনুযায়ী কার্ডের ক্লাস নিচে দিলাম…

Class 2 for normal video recording
Class 4 and 6 for high-definition video (HD) to Full HD video recording,
Class 10 for Full HD video recording and consecutive recording of HD stills
UHS Speed Grade 1 for real-time broadcasts and large HD video files
UHS Speed Grade 3 for 4K video files
SD_class_table

এসডি কার্ড কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ

অনেকেই এসডি কার্ডের ব্যবহার সম্পর্কে জানেন তারপরেও বলছি, স্মার্টফোন কেনার পর স্মার্টফোনের কার্ড স্লটে সাবধানতার সাথে এসডি কার্ডটি প্রবেশ করান এবং ডিভাইস এসডি কার্ডটি শো করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তবে সবসময় এসডি কার্ড খোলা বা লাগানোর পূর্বে ডিভাইস বন্ধ করে নেয়া ভাল। কত GB এসডি কার্ড কিনবেন সে সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ আপনার প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে। আর ক্লাস সম্পর্কে আমি আগেই বলেছি, ক্লাস 6 কার্ড ব্যবহার করা ভাল, এর চেয়ে বেশি ক্লাসের এসডি কার্ড ব্যবহার করলে আরো ভাল। সর্বশেষ কথাটি হল এসডি কার্ড ব্রান্ড। আমার মতে SanDisk, Kingston অথবা PNY এর এসডি কার্ড কেনাই ভাল। তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি Sandisk ইউজ করেন।

September 11, 2018

Google Play Store থেকে Download সমস্যা?

Google Play Store থেকে Download সমস্যা?

Google Play Store থেকে অনেক সময় কোন গেমস্ বা এপস্ Download করার সময় আমারা Error 498 দেখি । অর্থাৎ “Error 498 has occurred while communicating with the server“ এমন একটি মেসেজ দেখা যায়। অনেকবার চেষ্টা করেও এই Error 498 এর কারনে কোন কিছুই ডাউনলোড করা সম্ভব হয় না । আজকের আলোচনার বিষয় Error 498 এর কারন ও তার ৫টি সমাধান। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক- গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড সমস্যা? নিয়ে নিন তার ৫টি সমাধান!

Google Play Store Error 498 এর কারন:

০১। এই সমস্যার পিছনে বেশ কিছু কারন রয়েছে। তার মধ্যে সব থেকে কমন হলো ডিভাইসের ক্যাশে পার্টিশন। আপনি তখনই এই সমস্যাটি দেখতে পাবেন যখন আপনার এপস্ এর সাইজ ডিভাইসের ক্যাশ পার্টিশন থেকে বেশি হবে ।
উদাহরন: আপনার ক্যাশ পার্টিশন ৩০ এমবি এবং আপনি যেটি Download করতে চাচ্ছেন তার সাইজ ৩৫ এমবি তখনই আপনি এই সমস্যা দেখতে পাবেন।
০২। আর একটি গুরুত্বপূর্ন কারন হলো গুগল সার্ভিস। আপনি যখন কোন ফাইল Download করার চেষ্টা করছেন তখন সেটি আন্ডার মেইনট্যানেন্স থাকতে পারে। সুতরাং যখন আপনি সেই ফাইলটি Download করার চেষ্টা করবেন তখন সেখানে Error 498 মেসেজ পেতে পারেন। এটা কোন বড় সমস্যা নয়, অপেক্ষা করুন এবং আবার চেষ্টা করুন।

Error 498 এর সমাধান:

সমাধান ০১: ক্যাশ ক্লিয়ার করুন:
আপনার ক্যাশের জন্যই এই সমস্যাটা বেশি হয়ে থাকে। তাই আপনার ডিভাইসের ক্যাশ ক্লিয়ার করুন।
সমাধান ০২: Download করতে Wifi ব্যবহার করুন:
অনেক সময় ইচ্ছাকৃত ভাবে ইন্টারনেট সংযোগ কারীরা এই সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। সুতরাং ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে Wifi সংযোগ করে নিন।
সমাধান ০৩: নতুন Play Store একাউন্ট ব্যবহার করুন:
Error 498 সমাধানের জন্য আপনি আপনার আগের একাউন্টি মুছেফেলে নতুন একাউন্ট যুক্ত করুন। এটি করার জন্য আপনাকে যেতে হবে Settings > Accounts > Add New Account > Click on Google > Next > Enter email > Done । নতুন একাউন্ট সংযোগ করে আবার Download করতে চেষ্টা করুন।
সমাধান ০৪: কম্পিউটারে সংযোগ করুন:
আপনার মোবাইলকে USB Cable দিয়ে কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযোগ দিন। Chrome বা FireFox অথবা আপনার পছন্দের যে কোন ব্রাউজার দিয়ে Google Play Store এ প্রবেশ করুন। সেখান থেকে নতুন করে আপনার পছন্দের ফাইলটি ডাউনলোড করুন এবং আপনার স্মার্টফোনটিকে দেখিয়ে দিন। আশা করছি এই সমস্যা দুর হবে।
সমাধান ০৫: Google Play store Uninstall করুন ও পুনরায় Install করুন।
সব শেষে কোন সমাধান খুজে না পাওয়া গেলে আপনার Google Play Store টি আপনার ডিভাইস থেকে Uninstall দিন ও আপনার ডিভাইস রিস্টার্ট দিয়ে আবার Install করুন। আশা করছি আপনি এর সমাধান পাবেন।

September 11, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে ল্যাগ মুক্ত স্পিড আপ করার টিপস

অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে ল্যাগ মুক্ত স্পিড আপ করার টিপস

অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে ল্যাগ মুক্ত স্পিড আপ করার ৭টি টিপস

বর্তমানে চারপাশে যেদিকেই তাকাবেন প্রায় সবার হাতেই ‘অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের’ স্মার্টফোন দেখতে পারবেন। এরকম নয় যে অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন মানুষ ব্যবহার করেনা তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আধিক্য বেশি। এর মূল কারন হচ্ছে এই অপারেটিং সিস্টেমের চমৎকার সব স্মার্টফোন যেমন কিনতে অনেক টাকা লাগে ঠিক তেমনি এর লো-এন্ড ফোনগুলোর দামও আবার থেকে যায় হাতের নাগালের মধ্যেই।
তবে, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে এটি সময়ের সাথে সাথে কিছুটা ধীর গতির হয়ে যায়। তাই, আজকে আমি কিছু টিপস শেয়ার করব যার সাহায্যে সম্পুর্ন না হলেও আপনার স্মার্টফোনটিকে অনেকাংশেই স্মুথ করে তোলা সম্ভব হবে।

১। আপনার স্মার্ট ফোনটির ফার্মওয়্যার আপডেট করুনঃ আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই কিছু ল্যাগের সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই হচ্ছে আগের তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর, ফার্মওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিটি ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন আপনার চোখে পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত করার জন্য স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা জরুরী।

২। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ‘রিসেট’ করুনঃ আমরা সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে ‘পুনঃস্থাপন করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও ‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই কাজ করে। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন আপনার স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন আপনার স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন স্মুথ? কিন্তু, সময়ের সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে সেই স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি।
এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি রিসেট’ করেন তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে গিয়ে ঠিক সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ হয়ে যাবে। সব ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য যে ফাইল গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি। কিন্তু এতে করে যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই আপনি রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি স্মার্টফোন।
সতর্কতাঃ ‘ফ্যাক্টোরি রিসেটের’ ফলে আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারন্নাল স্টোরেজে থাকা প্রয়োজনীয় কন্টাক্ট, ক্ষুদে বার্দা, ক্যালেন্ডার এনট্রি, মেমো এবং আপনি যে অ্যাপলিকেশন গুলো ব্যবহার করতেন - এগুলো সব মুছে যাবে। তাই, রিসেট করার পূর্বে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুলো ব্যাক-আপ নিয়ে রাখুন। যদিও, গুগলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে কন্টাক্ট এবং ক্যালেন্ডার এন্ট্রি সহ কিছু ক্ষেত্রে ক্ষুদে বার্তাও সিনক্রোনাইজড হয়ে থাকে।
৩। মাঝে মাঝেই আপনার ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ চেক করুনঃ স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে গেলে স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে পারেন। এজন্য, আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল ফাইলে জমে থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া ফাইল যেমন, গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল স্টোরেজ তথা মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে দিন। তবে, বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে বিধায় এই টিপসটি সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেনঃ আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক কিলারের মত কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।

 পুরোনো স্মার্ট ফোন গুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ‘auto task killer’ অ্যাপলিকেশনটি। এটি আপনার নির্ধারিত ‘n’ সময় অন্তর অন্তর আপনার নির্ধারিত কিছু অ্যাপলিকেশনের প্রোসেস কিল করে স্মার্ট ফোনের র‍্যাম ফ্রি করতে সাহায্য করবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই, বেশি র‍্যাম ফ্রি থাকার অর্থ হচ্ছে স্মার্ট ফোন দ্রুত অপারেট হবে।
 ভালো মানের একটি এন্টিভাইরাস অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। কম্পিউটারের মত স্মার্টফোনও নানা রকম ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং একটি ভালো এন্টিভাইরাস এই সকল ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারকে সনাক্ত করন এবং পরে মুছে ফেলে আপনার স্মার্টফোনটিকে কিছুটা হলেও গতিশীল করবে।
 ব্যবহার করতে পারেন ‘start up manager’ এর মত কিছু অ্যাপলিকেশন। এই অ্যাপলিকেশনের ফলে আপনি আপনার ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবার সময় নির্ধারন করে দিতে পারবেন যে ঠিক কোন অ্যাপলিকেশন গুলো সক্রিয় হবে আর কোন গুল নিষ্ক্রিয় থাকবে।
 ‘Juice defender’ টাইপের অ্যাপলিকেশনগুলো অনান্য অ্যাপলিকেশন গুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে অটোমেটিক স্টার্ট হতে না দিয়ে আপনার ফোনের এবং আপনার ফোনের ব্যাটারীকে সাপোর্ট দিয়ে যাবে।
 ‘cache cleaner’ অ্যাপলিকেশনগুলো মোবাইলের মেমরীতে জমে থাকা বিভিন্ন রকম কেচ ফাইল মুছে দিয়ে স্মার্টফোনকে স্মুথ করবে।
 ‘Apps to SD card’ অ্যাপলিকেশনটি একটি প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন। এর সাহায্যে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইন্সটলড থাকা অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার ফোনের এক্সটার্নাল মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন এবং এতে করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ ফ্রী হবে, বিধায় কিছুটা হলেও স্মার্ট ফোন দ্রুত কাজ করবে। তবে মনে রাখবেন, এই অ্যাপলিকেশনটির সাহায্যে সকল প্রকার অ্যাপলিকেশনই মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করা সম্ভব হবেনা, কিছু কিছু অ্যাপলিকেশন ট্র্যান্সফার করার জন্য আপনার ফোনটিকে ‘রুট’ করে নিতে হবে।
 ’Spare parts’ জাতীয় অ্যাপলিকেশনগুলো কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কনফিগারেশন প্যানেলে আপনাকে এক্সেস করতে দিবে, যেমন ধরুন- ট্র্যানজিশান অ্যানিমেশন কনট্রোল।
৫। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলো মুছে ফেলুনঃ আমরা বিভিন্ন সময়ে প্লে স্টোরে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় অনেক রকম অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করি কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপলিকেশন গুলো খুব একটা ব্যবহার করিনা। এরকম অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন মুছে ফেলা উচিৎ। এতে করে স্মার্টফোনের র‍্যাম ফ্রি থাকবে এবং ফলাফল স্বরূপ আপনার স্মার্ট ফোনটি আগের তুলনায় কিছুটা হলেও ল্যাগ ফ্রি হবে।
৬। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুনঃ আমরা কম্পিউটারে কোন সমস্যায় পরলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে থাকি, তাতে করে কম্পিউটারের সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে দূর হয়ে যায়। স্মার্ট ফোনের ব্যপারটি একই। যদিও, এই ট্রিকসটি একটি টেম্পোরারী অপশন, তবুও এটা কাজ করে।
৭। আপনার স্মার্ট ফোনটি রুট করুনঃ স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করার ফলে আপনি কিছু অ্যাডিশনাল সুবিধা পাবেন এবং সেই সুবিধা গুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার স্মার্ট ফোনটি আরও ভালো ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। যদিও এক্ষেত্রে রুটিং প্রোসেসটি এক প্রকারের রিস্কি সমাধানের পর্যায় পরে তবে এখন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট এবং ফোরামের কল্যাণে স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করা এখন বলা চলে অনেক সহজ এবং ঝুঁকির পরিমানও ঠিক আগের মত নেই।

ঝুঁকির কথা বললাম কেননা, আপনি যদি রুট করার সময় সফল না হন তবে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক অবস্থায় চলে যেতে পারে। আবার, আপনি সফল ভাবে রুটিং প্রোসেস সম্পন্ন করলেও আপনার স্মার্ট ফোনের সাথে দেয়া ‘ওয়ারেন্টির’ অফারটা শেষ হয়ে যাবে যদিও এখন আপনি চাইলেই আপনার রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি আন-রুট করতে পারবেন এবং ওয়ারেন্টি ফিরে পাবেন। এখন বলি যে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্ট ফোন স্পিড আপ এর সাথে এই রুটিং এর কী সম্পর্ক।

 ওভার ক্লকঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসের প্রসেসরটি ওভারক্লক করতে পারবেন এবং একটি ওভার ক্লকড প্রসেসর স্বাভাবিক ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা প্রসেসরের তুলনায় বেশি পরিমান কাজ করতে সক্ষম হবে। তাই, প্রসেসর ওভার ক্লক করার মাধ্যমে আপনি এভাবেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন।
 কাস্টম রমের ব্যবহারঃ আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসটিতে কাস্টম রম ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যদিও, কাস্টম রম ব্যবহার কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের পর্যায়ে পরে এবং ঝুঁকি পূর্ন তবুও কাস্টম রম ব্যবহার করে স্মার্ট ফোনের গতি বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই।
কেননা, কাস্টম রমে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন থাকে না বললেই চলে এবং এর ফলে কোন অ্যাপলিকেশন অহেতুক স্মার্ট ফোনের র‍্যামের রিসোর্স ব্যবহার করেনা এবং এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের ফলে স্মার্ট ফোনের কিছু বাগ ফিক্স হয়ে যায়। তবে ঝুঁকির কথা বললাম এজন্যেই যে মাঝে মাঝে কাস্টম রম গুলো স্ট্যাবল হয় না এবং এর ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
 অপ্রোয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলতে পারবেনঃ প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের স্টক রমে দেখা যায় নানা রকম অ্যাপলিকেশন প্রি-ইন্সটলড করা থাকে যা অনেকেই ব্যবহার করেন না। ‘রুট’ করার ফলে আপনি যেহেতু আপনার ডিভাইসের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা হাতে পাচ্ছেন সে কারনে আপনি চাইলে সিস্টেমে ইন্সটল্ড থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে পারবেন ফলে আপনার স্মার্ট ফোনটি কিছুটা হলেও হবে স্মুথ এবং দ্রুত গতির।

Sunday, September 9, 2018

September 09, 2018

সকল সিম এর দরকারি কোড

Grameen Phone
Show SIM Number : *2#

Balance Check : *566#

Minute Check : *566*24# , *566*20#

Package Check : *111*7*2#

SMS Check : *566*2#

MMS Check : *566*14#

Data (MB) Check : *566*10# , *567#

Call Me Back : *123*Number#

Net Setting Request : *111*6*2#

Miss Call Alert (On) : type START MCA & 

Send to 6222

Miss Call Alert (Off) : Type STOP MCA & Send to 6222

All Service type “Stop all” and send 2332
Welcome tune : Type “Stop” and send to 4000
I
nternet off : *500*40#
Facebook Type “Stop” and send to 32665
Facebook USSD dial *325*22#
Mobile Twitting Type “Stop” and send to 9594

Call Block : Type “Stop CB” and send to 5678

Missed Call Alert write “STOP MCA” and send to 6222

Banglalink

Show SIM Number : *511#

Balance Check : *124#

Minute Check : *124*2#

Package Check : *125#

SMS Check : *124*3#

MMS Check : *124*2#

Data (MB) Check : *124*5# , *222*3#

Call Me Back : *126*Number#

Net Setting Request : Type ALL & Sent to 3343

Miss Call Alert (On) : Type START & Send to 622

Miss Call Alert (Off) : Type STOP & Send to 622

Robi

Show SIM Number : *2#

Balance Check : *222#

Minute Check : *222*3#

Package Check : *140*14#

SMS Check : *222*11#

MMS Check : *222*13#

Data (MB) Check : *222*81# , 8444*88#

Net Setting Request : *140*7#

Miss Call Alert (On) : Type ON & Send to 8272

Miss Call Alert (Off) : Type OFF & Send to 8272

Airtel

Show SIM Number : *121*6*3#

Balance Check : *778#

Minute Check : *778*5# or *778*8#

Package Check : *121*8#

SMS Check : *778*2#

MMS Check : *222*13#

Data (MB) Check : *778*39# or *778*4#

Call Me Back : *121*5#

Net Setting Request : *140*7#

Miss Call Alert (On) : *121*3*4#

Teletalk

Show SIM Number : *551# Or Type “Tar” & send to 222

Balance Check : *152#

Minute Check : *152#

Package Check : unknown

SMS Check : *152#

MMS Check : *152#

Data (MB) Check : *152#

Net Setting Request : Type SET & Send to 738

Miss Call Alert (On) : Type REG & Send to 2455



Miss Call Alert (Off) : Type CAN & Send to 245
September 09, 2018

এন্ড্রয়েড কে ভাইরাস হতে বাঁচাতে জরুরী ৫ টি টিপস

এন্ড্রয়েড কে ভাইরাস হতে বাঁচাতে জরুরী ৫ টি টিপস

আমরা প্রতিদিনের অনেক কাজেই আমাদের গুরুত্বপূর্ন এন্ড্রয়েড ফোন টিকে ব্যাবহার করছি। অনেকেই এটি ব্যাবহার করেন ডিজিটাল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। এতে সংরক্ষন করেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এর ইনফর্মেশন সহ অনেক জরুরী তথ্য। এসব তথ্য যদি পরে কোনো হ্যাকার এর হাতে, তাহলে কি হতে পারে চিন্তা করে দেখেছেন? এন্ড্রয়েড এ সাধারনত ওপেন সোর্স কিছু আপ্পস এর মাদ্ধমে ভাইরাস ঢুকতে পারে(পেইড আপ্পস দ্বারা ও এটি ঘটা সম্ভব)। আমরা প্রায় ই গুগল প্লে ব্যাতীত বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আপ্পস ডাউনলোড করি। এগুলতেও থাকতে পারে ম্যালওয়ার!

এখানে গুরুত্বপূর্ন ৫ টি টিপস আছে যেগুলো আপনাকে এসব ভাইরাস এর হাত থেকে বাচতে সহায়তা করবে।

১। যে অ্যাপ সম্পর্কে জানেন না সেটি ইন্সটল করবেন না

অপরিচিত কেউ কোন খাবার দিলে যেমন আপনি খান না, তেমন ই অপরিচিত কোন অ্যাপ ইন্সটল করবান না। বর্তমানে হ্যাকার রা ইমেইল, ম্যাসেজ প্রভৃতির মাধ্যমে তাদের তৈরী অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য ম্যাসেজ পাঠায়। যেটি সম্পর্কে আপনি সিওর না সেটি ইন্সটল করতে জাবেন না। এমন ও হতে পারে অই অ্যাপ দ্বারাই আপনার সকল তথ্য হাতিয়ে নিয়ে যাবে হ্যাকার।

২। গুগল প্লে বা বিশ্বাসযোগ্য অ্যাপ স্টোর হতে অ্যাপ ইন্সটল করুন

আপনি সাধারনত কোথা থেকে খাবার কিনবেন? ফুটপাথ থেকে নাকি ফ্রিজ এ রাখা নিরপদ কোন দোকান থেকে? অবশ্যই নিরাপদ দোকান থেকে। তেমন অ্যাপ ডাউনলোড করুন গুগল প্লে কিনবা নিরাপদ কোনো অ্যাপ স্টোর থেকে(Amazon App Store ও খারাপ না) তারা প্রতিটা অ্যাপ আলাদা ভাবে চেক করে। তাই স্বভাবতই এ অ্যাপ স্টোর গুলো অনেক নিরাপদ।

৩। “Install from unknown sources” – অফ রাখুন

Install from unknown sources মানে ভেরিফাইড অ্যাপ স্টোর ব্যাতীত অন্য কোনো স্থান থেকে অ্যাপ ইন্সটল করা যাবে। কিন্তু এতে অনেক সিক্যুরিটি রিস্ক থাকে। এবং Verify Apps এ মার্ক করে রাখুন। এতে যে কোন অ্যাপ ইন্সটল করার আগে নেট থেকে অ্যাপ সম্পর্কে আপনার ডিভাইস নিশ্চিত হবে।

৪। অ্যাপ ইন্সটল করার আগে permissions গুলো পড়ুন

Unwanted অ্যাপ থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভালো উপায় এটি। Permissions গুলো পড়লেই বুঝবেন এই অ্যাপ টি আপনার ডিভাইস এর কি কি অ্যাক্সেস করতে পারবে। যদি মনে করেন এটি এমন কিছুর অ্যাক্সেস চাইছে যার সাথে এর কাজের কোনো সামঞ্জস্য নেই, অই অ্যাপ ইন্সটল না করাই ভালো। আর যদি আপনার ডিভাইস এর Contacts, Account Information অ্যাক্সেস করতে চাইছে তাহলে কএকবার ভেবে নিন ইন্সটল করবেন কিনা।

৫। Antivirus ইন্সটল করতে পারেন

অনেকে মোবাইল এ Antivirus ব্যাবহার করে। অনেকে করে না। আপনার কি করা উচিত? এ ব্যাপারে বলব আপনি যদি সব কিছু গুগল প্লে বা ভেরিফাইড কোনো অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করেন তাহলে আপনার কোন Antivirus ইন্সটল করা লাগবে না। গুগল প্লে প্রতিটি অ্যাপ নিখুতভাবে স্ক্যান করে। তবু অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য Antivirus ইন্সটল করতে পারেন।

September 09, 2018

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ

স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ


 দেখুন যদি গরম হওয়ার কথা বলি তবে বলতেই হয় যে প্রতিটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি বা মেশিন ই গরম হয়। উদাহরণ সরূপ আপনার গাড়ি, কম্পিউটার ইত্যাদি সব কিছুই গরম হওয়া থেকে বিরত নয়।গাড়ি ঠাণ্ডা রাখতে পানি ঢালা হয়, কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে ফ্যান ব্যবহার করা হয় তাছাড়া এর ভেতর HeatSheild থাকে। তো আসলে বলতে পারেন স্বাভাবিক ভাবে স্মার্টফোন একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র হওয়ার কারনে এটি গরম হয়। তারপরও আমি আপনাদের সব কিছু খুলে বলবো। তো চলুন জেনে নেয় স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়ার কারন সমূহ।

 প্রসেসরঃ স্মার্টফোন গরম হওয়ার জন্য প্রথম যে দায়ী তা হলো প্রসেসর। প্রসেসর আপনার ফোন এর প্রধান অঙ্গ সরূপ। যে আপনার ফোন এর প্রতিটি কাজ করে থাকে। আপনি ফোন ব্যবহার করেন আর নাই বা করেন প্রসেসর কিন্তু সবসময় চলতে থাকে এবং তার কাজ করতে থাকে। আর এই প্রসেসর নির্মাণ করা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে। এবং এর ভেতর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রন থাকে। যখন প্রসেসর তার কাজ করে তখন এই ইলেকট্রন গুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে (সহজ ভাষায়)। এবং এই দৌড়াদৌড়ি করার সময় ইলেকট্রন গুলো নিজেদের ভেতর সংঘর্ষ ঘটায় এবং তাপ উৎপাদন করে। অর্থাৎ আপনার প্রসেসর যত বেশি কাজ করে তাপ ও ততো বেশি উৎপাদন হয়। আপনি যদি কম কাজ করেন, যেমন ধরুন শুধু ফোন এ কথা বলছেন, কিংবা মিউজিক শুনছেন তবে আপনার ফোনটি কম গরম হবে। কিন্তু মনে করেন আপনি গেম খেলছেন এবং একসাথে ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইল ও ডাউনলোড করছেন, তবে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ফোন এর প্রসেসর কে বেশি কাজ করতে হবে এবং যার ফলে বেশি গরম হবে আপনার স্মার্টফোনটি। আজকাল কার স্মার্টফোন গুলো দিন এর পর দিন চিকন হয়ে যাচ্ছে। এখন প্রসেসর এর দ্বারা উৎপন্ন তাপ আপনার ফোনটি চিকন হওয়ার কারনে বের হতে পারে না। এবং লক্ষ করলে দেখা যাবে যে আপনার ফোন এর প্রসেসরটি ফোন বডির সাথেই লেগে থাকে, যার ফলে খুব তারাতারি এবং অত্যাধিক গরম অনুভূত হয়।

 অত্যাধিক লোডঃ আমি আগেই বলেছি অত্যাধিক লোড ফেললে আপনার ফোনটি দ্রুত এবং বেশি গরম হবে। স্বাভাবিক কাজ যেমন ফোন এ কথা বলা, এসএমএস সেন্ড করা বা গান শোনার মত ছোট কাজ এ কম গরম হবে আপনার ফোনটি। কিন্তু আপনি যখন অনেক গুলো কাজ এক সাথে করবেন বা কোনো বড় কাজ করবেন তখন আপনার ফোনটি অত্যাধিক লোড এর সম্মক্ষিন হবে এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হবে।

 ব্যাটারিঃ স্মার্টফোন গুলো দিনদিন চিকন হয়েই চলছে।
 ব্যাটারি প্রযুক্তিতে তেমন একটা বিশেষ উন্নতি আনা হচ্ছে না। তারপর ফোনটি অনেক চিকন হওয়ার কারনে যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব থাকে না। ব্যাটারি চার্জ বা ডিসচার্জ হওয়ার সময় কম বেশি গরম হয়েই থাকে। আর যন্ত্রপাতি গুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব না থাকার ফলে এই ব্যাটারির গরম সব দিকে ছড়িয়ে পরে এবং আপনার স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে। পরিবেষ্টিত তাপমাত্রাঃ স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম, হওয়ার আরেকটি বড় কারন কিন্তু পরিবেষ্টিত তাপমাত্রা হতে পারে। সাধারন ভাবে গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের তাপমাত্রা ৩৫-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে যায়। এই পরিবেশে আপনি ঘরে বসে থাকলেও আপনার আসেপাশের তাপমান থাকে প্রায় ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এই তাপমান এর ভেতর আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করলে এটি আরো তাড়াতাড়ি গরম হয়ে পরবে। 

দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনালঃ মনে করুন আপনি এমন এক জায়গায় আছেন, যেখানে নেটওয়ার্ক সিগনাল খুব দুর্বল। অথবা আপনার ওয়াইফাই সিগনাল অনেক কষ্টে আপনার স্মার্টফোন অবধি আসছে। এই অবস্থায় আপনার স্মার্টফোন এ বেশি চার্জ খরচ হয়। দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগনাল পাওয়ার জন্য আপনার ফোনটি অ্যান্টেনাতে বেশি পাওয়ার প্রয়োগ করে, যাতে ফোনটি ভালো সিগনাল ধরতে পারে। এতে স্মার্টফোনটির প্রসেসরকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এবং স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে পরে।

 কতটা গরম হওয়া স্বাভাবিক এবং কতটা গরম হওয়া অস্বাভাবিক 



 এখন চলুন কথা বলি স্মার্টফোন স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক গরম হওয়া নিয়ে। স্বাভাবিক অবস্থায় কাজ করতে করতে আপনার স্মার্টফোনটি ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হতে পারে। আর বিশ্বাস করুন এটা শুধু আপনার ফোন এর ক্ষেত্রে না, বরং সবারই গরম হয়। আপনার ফোনটি কম দামী বলেই যে বেশি গরম হচ্ছে, তা কিন্তু মতেও ঠিক নয়। স্যামসাঙ বলুন আর অ্যাপেল, সব ফোনই কিন্তু গরম হয়। তবে হাঁ, আপনি যদি লক্ষ্য করে দেখেন যে আপনার ফোনটি সবসময়ই ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম থাকছে। এমন কি যখন আপনার ফোনটি স্ট্যান্ড-বাই মোড এ থাকে তখনও, তবে আপনার ফোন এ সমস্যা আছে।


 স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়াতে কি কি অসুবিধা হতে পারে? 



 কর্মক্ষমতা হ্রাস পাওয়াঃ 
স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হওয়াতে আপনার ফোন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। দেখুন স্মার্টফোন এর প্রসেসরকে এমন ভাবে তৈরি করা হয় যাতে এটি বেশি গরম হয়ে পরলে কাজ করা কমিয়ে দেয়, যাতে এটি ঠাণ্ডা হতে পারে। আর প্রসেসর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করা কমিয়ে ফেলার জন্য আপনার স্মার্টফোন এর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

 অত্যাধিক গরম হওয়া থেকে স্মার্টফোনকে কীভাবে রক্ষ্যা করবেন? 



 স্মার্টফোনে বেশি কাজ করা যাবে না বা বেশি গেম খেলা যাবে না, আসলে ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। অত্যাধিক গরম হওয়া থেকে স্মার্টফোনকে বাচাতে চাইলে আপনার ফোন এর সফটওয়্যার গুলো কে আপডেট রাখুন। অনেক সময় ফোন এর সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার সমকক্ষতা রাখতে বার্থ হয়। সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। নিয়মিত অনুসন্ধান করে দেখুন যে কোন কোন অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ড এ বেশি জায়গা নিচ্ছে। সে অ্যাপস গুলো সনাক্ত করে অস্থায়ী ভাবে বন্ধ করে রাখুন।