Search This Blog

Friday, September 21, 2018

September 21, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট করা ও সুবিধা অসুবিধা

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট করা ও সুবিধা অসুবিধা

 

অ্যান্ড্রয়েডটিকে রুট করবেন? রুট করলে আপনি যা যা করতে পারবেন তা হল –

 

১. রুটিং আপনাকে আপনার অ্যান্ড্রয়েডে ‘সুপার ইউজার’ অধীকার দেয়।

২. ফোনটিতে কি থাকবে আর কি থাকবে না তা নিশ্চিত করতে পারবেন। ডিফল্ট হিষেবে থাকা অনেক সফ্টওয়ার আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। রুট আপনাকে এগুলো Uninstall বা Replace করার ক্ষমতা দেয়।

৩. অ্যান্ড্রয়েড মার্কেটে ও অন্য সফ্টওয়ার সাইটে পাওয়া যায় অসাধারণ সব অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম সফ্টওয়ার, যা দিয়ে নানাভাবে ফোনের পারফর্মেন্স বাড়াতে পারবেন। কিন্তু রুট ছাড়া এসব হয় না।

৪. অনেক ইনবিল্ট ফিচার যা একটি ডিভাইসে সাপোর্ট করে অথচ অন্য ডিভাইসে হয় না, কিন্তু রুটিঙের মাধ্যমে এগুলো ঠিক করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, লাউভ ওয়ালপেপার Samsung Galaxy Spica তে রুট না করলে চলে না।

৫. আপনার ডিভাইসটির WifI বা Bluetooth সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার এবং ওয়াইফাই দিয়ে উচ্চগতিতে ডাটা ট্রান্সফার করতে এনড্রয়েডে ওয়াইফাই/ব্লুটুথ টেথারিং করতে হয়, যার জন্য রুট বাধ্যতামূলক।

৬. বিল্ট-ইন না থাকলে ফোনে বাংলা ফন্ট ইন্সটল করতে রুট লাগবে।

 

যদিও স্পিড বাড়ানোর জন্যই আপনার ফোন আপনি রুট করবেন, কিন্তু ঠিক ভাবে কনফিগার করতে না পারলে আপনার ডিভাইস ফাস্ট না হয়ে উল্টো স্লো হয়ে যাবে ফোনের ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যাবে এছাড়া ভাইরাসের কিছু ভয় আছে। রুট করতে চাইলে কিংরুট অথবা আইরুট সফটওয়্যার ব্যবহার করে রুট করুন

 

ওয়ারেন্টি হারানোঃ

 

ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই। ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।

 

রুট করার সুবিধা

 

পারফরমেন্স বাড়ানোঃ

 

বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা।

 

ওভারক্লকিং করাঃ

 

সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়। আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।

 

কাস্টম ইউআই :

 

আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।

 

কাস্টম রম :

 

ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।

 

রুট করার অসুবিধা

 

ওয়ারেন্টি হারানোঃ

 

ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই।

 

ফোন ব্রিক করাঃ

 

ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক- সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন। আপনি kingroot দিয়ে হয়তোবা আপনার মোবাইল রুট করতে পারবে

 

September 21, 2018

এক ফোন থেকে অন্য ফোনে MB ট্রান্সফার

এক ফোন থেকে অন্য ফোনে MB ট্রান্সফার

 

রবি টু রবি মেগাবাইট ট্রান্সফার করার নিয়ম

 

=> ১০ এম.বি পার করতে হলে ডায়াল করুন *১৪১&৭১২*১১* যার কাছে পাঠাবেন তার মোবাইল নাম্বার #
=> ২৫ এম.বি পার করতে হলে ডায়াল করুন *১৪১&৭১২*৯* যার কাছে পাঠাবেন তার মোবাইল নাম্বার #
=> ৬০ এম.বি পার করতে হলে ডায়াল করুন *১৪১&৭১২*৪* যার কাছে পাঠাবেন তার মোবাইল নাম্বার #
=> আরো জানতে *141*1#

 

জিপি থেকে জিপি এমবি ট্রান্সফার

 

জিপি থেকে জিপি বিভিন্ন এমবির প্যাকেজ উপহার দিতেন পারেন, জিপি সিমে ব্যলেন্স ট্রান্সফার এর মত এমবি ও ট্রান্সফার করতে পারবেন ।

 

জিপি টু জিপি নাম্বার এ যে ভাবে এমবি ট্রান্সফার করবেন তা নিচে দেওয়া হলঃ

৭৫ এমবি = igift 75mb receiver’s no senders name
২৫০ এমবি= igift 250mb receiver’s no senders name 
১ জিবি =igift 1gb receiver’s no senders name
Smart Plan 299 = igift sp299 receiver’s no senders name
৪ এমবি = igift 4mb receiver’s no senders name
পাঠিয়ে দিবেন ৫০০০ এ।

 

বাংলালিংক থেকে বাংলালিংকে এমবি ট্রান্সফার

 

বাংলালিংক থেকে বাংলালিংকে এমবি ট্রান্সফার করতে পারবেন খুব সহজে।এজন্য আপনার যা থাকতে এবং করতে হবে তা হল

 

১। একটা বাংলালিংক সিম কার্ড থাকতে হবে।

২। সিমটি অবশ্যই বাংলালিংক প্লে প্যাকেজে থাকতে হবে।(প্রথমে P লিখে 9999 নাম্বারে প্লে প্যাকেজ করে নেন আগের প্লে প্যাকেজ করা থাকলে করতে হবেনা )

৩। যাকে এমবি ট্রান্সফার করবেন তার ও বাংলালিংক প্লে প্যাকেজ থাকতে হবে

৪। বাংলালিংক এ ৫ এমবি গিফট এর জন্য ডায়াল করুন *132*15* যে নাম্বারে mb ট্রান্সফার করবেন ঐ নাম্বার #।মনে করি এমবি ট্রান্সফার করবেন 01966xxxxxx এই নাম্বারে।তাহলে এইভাবে ডায়েল করুন *132*15*01966xxxxxx# এবার আপনার নাম্বার থেকে ২ টাকা কেটে নেয়া হবে এবং ঐ নাম্বারে গিফট হিসেবে ৫ এমবি চলে যাবে।

৫। MB ইউজেস এর পরিমান জানতে ডায়াল করুন*222*3#

 

September 21, 2018

এন্ড্রয়েড মোবাইলে ফ্ল্যাশ দিতে হয় কিভাবে?

এন্ড্রয়েড মোবাইলে ফ্ল্যাশ দিতে হয় কিভাবে?

 

প্রথমে আপনার মোবাইল টি সুইচ অফ করুন। তারপর ব্যাটারি খুলে সিম কার্ড এবং মেমোরি কার্ড খুলে রাখুন। ব্যাটারি লাগান কিন্তু মোবাইল টি চালু করবেন না। তারপর আপনার মোবাইল এর "Volume up + Home Key (যদি থাকে) + Power Button" একসাথে চাপুন। একটি DOS এর মত স্ক্রীন বা Recovery স্ক্রীন আসবে। এই স্ক্রীন এ কয়েকটি অপশন থাকবে। সেখানে "wipe data/factory reset" এরকম কিছুও থাকবে। Volume Key দিয়ে আপনি কার্সর টি ওপরে নিচে সরাতে পারবেন। কার্সর টি সরিয়ে "wipe data/factory reset" অপশন এ ক্লিক করুন। তারপর yes এ ক্লিক করুন। তারপর মোবাইল টি নিজে থেকে কিছু কাজ করবে। সেটি হয়ে গেলে আবার সেই recovery স্ক্রীন আসবে। এখন সেখান থেকে "Reboot System Now" এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার মোবাইল টি রিস্টারট হবে। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। মোবাইল টি অন হয়ে গেলে আপনাকে কিছু সেটিংস্‌(ল্যাঙ্গুয়েজ সিলেক্ট, ইমেইল, টাইম, ডেট ইত্যাদি) করতে হবে। কাজ শেষ। এখন আপনার মোবাইল একদম ব্র্যান্ড নিউ।

যেকোনো Android মোবাইল এ এটা কাজ করবে। আমার Symphony W90 তে এটি কাজ করেছিল। আশা করি আপনার মোবাইল এও এটি কাজ করবে। কোনও ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

 

September 21, 2018

এন্ডয়েড মোবাইল দিয়ে পিসিতে নেট চালান

এন্ডয়েড মোবাইল দিয়ে পিসিতে নেট চালান

 

এন্ডয়েড মোবাইল দিয়ে পিসিতে নেট চালান । ( মডেমের কোন প্রয়োজন নাই )

 

আজকে যে টিপস টি শেয়ার করতে যাচ্ছি সেটা আমরা যারা এন্ডয়েড মোবাইল ও কম্পিউটার ইউজার তাদের জন্য খুব গুরুত্ব পূণ্য ।

নিচে আপনাদের জন্য ডিটেইল ভাবে তুলে ধরা হলো কিভাবে আপনি আপনার এন্ডয়েড মোবাইল কে মডেম হিসেবে ইউজ করুন।

১। প্রথমে আপনার ডাটা ক্যাবেলটি দিয়ে আপনার পিসিতে মোবাইল সংযোগ দিন ।

২। এবার আপনার মোবাইল এর ডাটা কানেক্ট দিন ।

৩। তার পরে আপনার সেটিং এ যান ।

৪। এই মেনুতে যান More > Tethering & Protable Hotspot

৫। WLAN Hotspot অন করুন এবং USB Tethering অন করুন ।

দেখবেন কিছুক্ষণের ভিতরে আপনার পিসিতে নেট কানেক্ট হয়ে গেছে । এবার আপনি ব্রওসিং ও ডাউনলোড করতে পারেন ।

 

September 21, 2018

Android মোবাইল ফোনের ৩টি লুকানো মোড

Android মোবাইল ফোনের ৩টি লুকানো মোড
আজ আমি Android মোবাইল ফোনের 3 লুকানো মোডের কথা আপনাদের জানাবো
=>ফার্স্ট বুট মোড
=>ডাউনলোড মোড
=>রিকভারি মোড

ফার্স্ট বুট মোড

এই মোডে কমান্ড লাইন টুল ফোন ব্যবহার করে ফোন ফ্ল্যাশ করা হয়

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Call" আর "End Call/Power keys" এক সাথে চাপুন

ডাউনলোড মোড

এই মোড টিকে ব্যবহার করেও ফোন ফ্ল্যাশ করা যায় । এই মোডে GUI ( গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ) টুলস ব্যবহার করে সহজ এবং দ্রুত কাজটি করা হয়।

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Volume Down", "OK" এবং "End Call/Power key" একত্রে চেপে ধরুন

রিকভারি মোড

এই মোডটিকে ফোন ফার্মওয়্যার পুনরায় রিসেট করতে বা ডিফল্ট সেটিং পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়.

এই মোডে একসেস করুন:-
১. আপনার ফোন বন্ধ করুন
২. "Volume Down" , "Call" এবং "End Call/Power keys" একসাথে চাপুন

এই তথ্য অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে দেয়া হচ্ছে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের বা হ্যাকারদের জন্য নয়. আপনি যদি মোবাইল ফোনের অভিজ্ঞ ব্যবহারকারি না হন, তাহলে দয়া করে উল্লিখিত কোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন না । আপনার তথ্য বা হার্ডওয়্যার ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা এই তথ্য ব্যবহার বা অপব্যবহারের জন্য টিউনার দায়ী হতে পারে না। সুতরাং আপনার নিজের ঝুঁকিতে এটি ব্যবহার।

September 21, 2018

কিভাবে NFC দিয়ে ফাইল ট্রান্সফার করবেন?

কিভাবে NFC দিয়ে ফাইল ট্রান্সফার করবেন?

ফাইল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি ফাংশন হল NFC । অবশ্য এই NFC সব ডিভাইসে থাকে না। তবে যাদের আছে তাদের জন্য আমার এই লেখা।

প্রথমেই NFC ফাংশন চালু করার জন্য নিচের ধাপ অনুসরণ করুন।
১-আপনার Settings এ Wireless and Networks অপশনে যান।
২- এরপর NFC চেকবক্স মার্ক করুন।
বেস চালু হয়ে গেল আপনার NFC।

যেভাবে অন্য ডিভাইসে NFC দিয়ে কন্টাক্ট নাম্বার শেয়ার করবেন :

১- প্রথমেই যেটা করবেন সেটা হল মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে এবং স্ক্রিন অ্যাকটিভ আছে।
২- এরপর আপনার কন্টাক্ট এ গিয়ে যে কন্টাক্ট গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৩- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৪- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৫- ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসের স্ক্রিনে ট্রান্সফার ইনফরমেশন ডিসপ্লে হয় এবং কন্টাক্ট লিস্টে সেভ হয়।

যেভাবে NFC দিয়ে অন্য ডিভাইসে মিউজিক ফাইল শেয়ার করবেন :

১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২- Media অথবা My Music থেকে Music Library ওপেন করুন।
৩- যে ট্র্যাক গুলো শেয়ার করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন।
৪- ট্র্যাক প্লে করার জন্য ট্র্যাকে ট্যাপ করুন।এবার Pause করুন। ট্র্যাক Play অথবা Pause যেটাই থাকুক ট্রান্সফার হবে।
৫- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৬- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৭- ট্রান্সফার কম্পলিট হলে শেয়ারকৃত ট্র্যাকটি তৎক্ষণাৎ রিসিভিং ডিভাইসে প্লে হবে এবং Music অ্যাপ্লিকেশনে সেভ হবে।

যেভাবে NFC দিয়ে ফটো এবং ভিডিও ফাইল শেয়ার করবেন :

১- মেক শিউর আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস দুটোরই NFC চালু আছে। Share My Tag চেকবক্সে গিয়ে Tag>My Tag আনচেকড করুন এবং উভয় ডিভাইসের স্ক্রিন অ্যাকটিভ রাখুন।
২- গ্যালারিতে যান এবং সেই ফোল্ডারটি ওপেন করুন যেটিতে আপনার কাংখিত ফটো অথবা ভিডিও রয়েছে।
৩- ট্যাপ করুন আপনার ফটো অথবা ভিডিওতে যেটি আপনি শেয়ার করতে চান।
৪- আপনার ডিভাইস এবং রিসিভিং ডিভাইস ব্যাক টু ব্যাক ধরুন যাতে প্রত্যেক ডিভাইসের NFC ডিটেকশন এলাকা একটি অপরটিকে টাচ করে। যখন ডিভাইস দুটি একটি অপরটিকে রিকগনিজ করে তখন উভয়ই ভাইব্রেট করে এবং ডাটা ট্রান্সফার শুরু হয়।
৫- ভাইব্রেট করার পর ডিভাইস দুটি তৎক্ষণাৎ আলাদা করে ফেলুন।
৬- ট্রান্সফার হয়ে গেলে রিসিভিং ডিভাইসেরর ডিসপ্লেতে শেয়ারকৃত ফটো অথবা ভিডিও ডিসপ্লে হবে এবং একই সময়ে গ্যালারিতে সেভ হবে।

# সব ট্রান্সফারে টিপস :: ভাইব্রেট এর পর তৎক্ষণাৎ ডিভাইস আলাদা করুন।এতে নতুন কানেকশন ডাটা ট্রান্সফারে ইন্টারফেয়ার করতে পারবে না।

নোট : কপি-রাইট প্রোটেক্টেড আইটেম গুলো আপনি শেয়ার করতে নাও পারতে পারেন।

September 21, 2018

অ্যান্ড্রয়েড ইউজারের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস

অ্যান্ড্রয়েড ইউজারের জন্য প্রয়োজনীয় টিপস

 

অ্যান্ড্রয়েড ইউজারের জন্য ৫ টি প্রয়োজনীয় টিপস

 

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হল অ্যান্ড্রয়েড। দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। সময়ের হাত ধরে আসছে নতুন সব প্রযুক্তি আর ফিচার নিয়ে আসছে নতুন নতুন সব ডিভাইস। তবে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সম্পর্কে অনেক কিছুই আছে যা আমাদের অনেকের জানা নেই। আমিও অনেক কিছুই জানি না। তবে কিছু বিষয় আছে যা সব অ্যান্ড্রয়েড ইউজারের জানা প্রয়োজন তা নিয়ে আমার আজকের পোস্ট…

 

NFC

 

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের যে ফিচারটি আমাদের অনেকের কাছে জনপ্রিয় তা হল NFC. সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে NFC সুবিধাটি দেয়া হয়না। কিছু মিড-রেঞ্জ এবং কিছু অধিকাংশ হাই-ইন্ড স্মার্টফোনে NFC দেয়া হয়। এই ফিচারটি আমাদের অনেকের কাছে প্রয়োজনীয় মনে হলেও, সাধারনত আমরা এই ফিচারটি তেমন ব্যবহার করি না। তাই যখন আপনি NFC ব্যবহার করছেন না, তখন এটি অফ করে রাখাই ভাল। কারণ NFC অন থাকলে আপনার প্রচুর ব্যাটারি খরচ হবে। তাই ব্যবহার প্রয়োজন শেষে NFC অফ করতে ভুলবেন না।

 

Advanced Wi-Fi settings

 

খুব কম অ্যান্ড্রয়েড ইউজার আছেন যারা Advanced Wi-Fi সেটিংস্‌ গুলো ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই আছেন যাদের এই সেটিংস্‌ গুলো সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা নেই। আপনি যদি নিয়মিত ওয়াইফাই ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে নতুন কোন ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের জন্য নোটিফিকেশন পেতে হলে এই সেটিংস্‌ গুলো ব্যবহার করা প্রয়োজন। অনেক সময় আপনার ডিভাইস যে ওয়াইফাই কানেকশন গুলো খুজে পায় তার সবগুলোর সিগনাল ভাল থাকে না, সেক্ষেত্রে দুর্বল ওয়াইফাই কানেকশন গুলো এড়ানোর জন্য এই সেটিংস্‌ গুলো জরুরি। এছাড়া এই সেটিংস্ অপশনের মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের ম্যাক অ্যাড্রেস জানতে পারবেন।

 

Mobile data/Wi-Fi/battery usage/process stats

 

মোবাইল ডাটা নিয়ে আমাদের অনেক সময় অনেকরকম অভিযোগ থাকে। যেমন এত কম ইউজ করলাম তাও ডাটা এত জলদি কিভাবে শেষ হল!! Settings>Data Usage এ গেলেই আপনি এই সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। সহজেই জানতে পারবেন কোন অ্যাপটি সবচেয়ে বেশি ডাটা খরচ করছে। একইভাবে মেনু থেকে আপনি Show Wi-Fi usage অন করলে ওয়াইফাই দিয়ে আপনি কতটুকু ডাটা খরচ করেছেন তাও জানতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন অ্যাপ গুলো আপনার ডিভাইসের র‍্যাম দখল করে রাখার কারণে যখন আপনার ডিভাইসটি স্লো চলে তখন আপনার নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা হয় যে কোন অ্যাপ গুলো আপনার র‍্যাম দখল করে রাখছে। এক্ষেত্রে নতুন একটি টিপস হল Settings > About phone এ যেয়ে Build number অপশনটিতে কয়েকবার প্রেস করুন। এতে আপনার ডিভাইসের Developer Options মেনুটি সচল হবে। এবার Developer Options> Process Stats এ যেয়ে আপনি সহজেই দেখে নিতে পারেন কোন কোন অ্যাপ আপনার ডিভাইসের কতটুকু র‍্যাম দখল করে রাখছে। তবে কথা হল এই অপশনটি আমি আমার ডিভাইসে পেয়েছি,কিন্তু ওয়াল্টন E2 তে পেলাম না। তবুও চেক করে দেখুন আপনার ডিভাইসে অপশনটি আছে কিনা।

 

Location Service

 

এই পর্যন্ত ব্যাটারি সেভিং টিপস নিয়ে সাইটে বেশ কিছু পোস্ট লিখেছি। আর সব পোস্টেই আমি লোকেশন সার্ভিস নিয়ে লিখেছি। গুগল ম্যাপ, গুগল নাও বা অন্যান্য থার্ড পার্টি অ্যাপ যেগুলো লোকেশন সার্ভিস বা জিপিএস ব্যবহার করে, সেই অ্যাপ গুলো আপনি যদি সবসময় ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে লোকেশন সার্ভিস এবং জিপিএস অফকরে রাখাই ভাল। কারণ এতে আপনার ব্যাটারি সেভ হবে। অথবা আপনি ব্যাটারি সেভিং মোডেও লোকেশন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। settings>Location>Mode এ গেলেই আপনি অপশনটি পাবেন।

 

Encrypt phone/SIM card lock

 

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সুরক্ষার জন্য আমরা অধিকাংশ সময় অনেক থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি। এতে কোন সন্দেহ নেই যে ডিভাইসের সুরক্ষার জন্য অনেক ভাল ভাল অ্যাপ রয়েছে। তবে সকল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে কিছু সিকিউরিটি অপশন দেয়া থাকে। যেমন আপনি ইচ্ছা করলেই আপনার ডিভাইসটি পাসওয়ার্ড দিয়ে Encrypt করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রতিবার ডিভাইস অন করার সময় আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। আপনি যদি আপনার ডিভাইসটি Decrypt করতে চান তাহলে আপনাকে আপনার ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবে।